Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু (Chhattisgarh School Prayer) অধিকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সকল স্কুলগুলিতে গাইতে হবে প্রার্থনা সংগীতের সঙ্গে বন্দেমাতরাম। সেই নির্দেশ মেনেই রাজ্যের একাধিক স্কুলে গরমের ছুটির পর ক্লাস চালু হতেই শোনা গিয়েছিল জাতীয় গানের এই সুর। এবার এই একই পথে হাঁটলো ছত্তিশগড়। কিন্তু তা নিয়েই বিতর্কে কেন্দ্রে এখন এই রাজ্য।
নয়া শিক্ষাবর্ষে নয়া নির্দেশ (Chhattisgarh School Prayer)
ছত্তিশগড়ের শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন শিক্ষা বর্ষের (Chhattisgarh School Prayer) প্রথম দিন থেকেই দেওয়া হয়েছে এক নতুন নির্দেশ। সেই নির্দেশে স্পষ্ট বলা হয়েছে ১৬ জুন থেকে সেই রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্কুলে প্রতিদিন বৈদিক মন্ত্র, গায়ত্রী মন্ত্র, সরস্বতী বন্দনা আবৃত্তি করতে হবে। অন্তত এই রাজ্যের জন্য এমনটাই বাধ্যতামূলক করেছে বিজেপি সরকার। আর এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বেঁধেছে তুমুল শোরগোল।
নতুন রুটিনে কোন কোন মন্ত্র?
নতুন রুটিন অনুযায়ী ছত্তিশগড়ের সকালের প্রার্থনা সভায় জাতীয় সংগীত এবং জাতীয় গানের পাশাপাশি গাইতেই হবে দ্বীপ মন্ত্র, স্বরস্বতী বন্দনা, গুরু মন্ত্র। খাবারের ঠিক আগে পড়ুয়াদের শরণাপন্ন হতে হবে ভোজন মন্ত্রের। এছাড়াও স্কুলের নিজস্ব সংগীত এবং নিজস্ব কার্যক্রম তো থাকছেই। তারপর ক্লাস শেষ হবে গায়ত্রী মন্ত্র এবং শান্তি মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে।
আরও পড়ুন: Abhhiman 2026: ভালবাসা, অভিমান আর সম্পর্কের গল্প! ১৯ জুন বড়পর্দায় আসছে ‘অভিমান’
উঠছে প্রশ্ন
কিন্তু এখানেই উঠছে প্রশ্ন। কংগ্রেস শিবিরের দাবি সরকারি স্কুলের এই নতুন নিয়ম গুলি মোটেই ধর্মনিরপেক্ষ নয়। একই স্কুলে একাধিক ধর্মের বাচ্চারা পড়তে আসে। সেখানে সকলে মন্ত্র পাঠ নাই করতে পারে এবং সকলে হিন্দু ধর্মের নাই হতে পারে। কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপি সরকারি স্কুলগুলিকে গেরুয়াকরণের চেষ্টা করছে। এই পুরো ঘটনাই সংবিধান বিরোধী বলে উল্লেখ করেছে তারা। উল্টো দিকে বিজেপির শিবির জানিয়েছে, এর মধ্যে নেই কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে শুধুমাত্র শৃঙ্খলা এবং নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলাই তাদের উদ্দেশ্য।


