Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বুধবার সামনে এল (Delhi AQI) এক চমকপ্রদ তথ্য। যুদ্ধবিধ্বস্ত শহরের বাতাসও যেখানে তুলনামূলকভাবে পরিষ্কার, সেখানে দূষণের দিক থেকে এখনও পিছিয়ে নেই ভারতের রাজধানী। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, তেহরান-এর তুলনায় অনেক বেশি দূষিত বাতাসে শ্বাস নিচ্ছেন দিল্লির বাসিন্দারা।
তেহরানের বাতাস তুলনায় অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক (Delhi AQI)
তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের বায়ুগুণ সূচক (Delhi AQI) এখন ৫০ থেকে ৭০-এর মধ্যে রয়েছে, যা সাধারণত ভালো থেকে মাঝারি স্তর হিসেবে ধরা হয়। অন্যদিকে দিল্লির বায়ুগুণ সূচক এখনও দেড়শোর উপরে ঘোরাফেরা করছে। এই মাত্রাকে দূষণের দিক থেকে খারাপ থেকে অস্বাস্থ্যকর স্তরের মধ্যে ধরা হয়। ফলে যুদ্ধের মাঝেও তেহরানের বাতাস তুলনায় অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অদ্ভুত পরিস্থিতির কারণ কী? (Delhi AQI)
এখন প্রশ্ন উঠছে, এমন অদ্ভুত পরিস্থিতির কারণ কী? (Delhi AQI) জানা যাচ্ছে, এর পিছনে রয়েছে দুই শহরের ভৌগোলিক অবস্থানের বড় পার্থক্য। দিল্লি অবস্থিত গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলে, যা পৃথিবীর অন্যতম দূষিত অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। শহরের চারপাশে ঘন শিল্পাঞ্চল, ভারী যান চলাচল এবং নির্মাণকাজের ধুলোর কারণে বাতাসে দূষিত কণার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়।
তাপমাত্রার ঘনঘন পরিবর্তন
তার সঙ্গে রয়েছে প্রতিবেশী রাজ্যগুলিতে ফসল কাটার পর জমিতে আগুন লাগানোর ধোঁয়া। প্রতি বছর এই ধোঁয়া রাজধানীর আকাশকে ঘন কুয়াশার মতো ঢেকে ফেলে। এছাড়াও বাতাসের গতি কম থাকা এবং তাপমাত্রার ঘনঘন পরিবর্তনের কারণে দূষিত কণা দীর্ঘ সময় বাতাসে ভেসে থাকে। ফলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে।

তেহরানে দূষণের প্রধান উৎস
অন্যদিকে তেহরানে দূষণের প্রধান উৎস মূলত যানবাহনের ধোঁয়া। শিল্পকারখানার বর্জ্য বা ফসলের গোড়া পোড়ানোর মতো বড় কারণ সেখানে নেই। সাম্প্রতিক সংঘাত ও বিস্ফোরণের কারণে দূষণ বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, তেমন প্রভাব এখনও পড়েনি।

আরও পড়ুন: Instagram Down: বিশ্বজুড়ে বন্ধ ইনস্টাগ্রাম!
এই তুলনা আবারও স্পষ্ট করে দিচ্ছে, যুদ্ধ নয়-বরং পরিবেশগত অব্যবস্থাপনা এবং মানবসৃষ্ট কারণই অনেক সময় একটি শহরের বাতাসকে সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক করে তুলতে পারে।


