Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আইপিএল আয়োজন নিয়ে এবার আশঙ্কার কথা জানালেন অরুণ ধূমাল (IPL 2026)।
আইপিএল কি পিছিয়ে যাবে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য? (IPL 2026)
যুদ্ধের পরিস্থিতি যত জটিল হচ্ছে ততই তার প্রভাব বাড়ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষের আগেই বহু দলকে আটকে পড়তে হয়েছিল ভারতে। যুদ্ধের আবহে উড়ান চলাচলে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবোয়ে, ইংল্যাডকে আটকে থাকতে হয়েছে। তবে এরপর আইসিসি-র পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে তাঁদের বাড়ি ফেরার জন্য (IPL 2026)। তবে এবার প্রশ্ন উঠে গেল যুদ্ধের আঁচে কি আদেও আইপিএল আয়োজন সম্ভব হবে?
দেশব্যাপী যেভাবে এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ ধাক্কা খেয়েছে তাতে ২৮ মার্চ আইপিএল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সেটা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে আশঙ্কা। এই মেগা টুর্নামেন্ট আয়োজন নাও হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে দাম বেড়েছে জ্বালানি গ্যাসের আর তাতেই শহরে বিভিন্ন হোটেল রেস্তোঁরা বন্ধ হওয়ার পথে। এমনকি কোন কোন বড় হোটেলকে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে এবার মুখ খুলেছেন আইপিএল চেয়ারম্য়ান অরুণ ধূমাল। তিনি জানিয়েছেন পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে সেই মতই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে শুধু দেশের ক্রিকেটার না, বিদেশি বহু ক্রিকেটার যোগ দেন এই লিগে, ফলে সব মিলিয়ে এই জটিল পরিস্থিতিতে আইপিএল-এর ভাগ্যাকাশে এখন অনিশ্চিয়তার মেঘ (IPL 2026)।

আইপিএল আয়োজনের সময় বিদেশের বহু ক্রিকেটার যোগ দেন এই মেগা টুর্নামেন্টে আর তাদের থাকা-খাবার বন্দোবস্ত করা হয় বিভিন্ন শহরে পাঁচ তারা হোটেলে। প্লেয়ার ছাড়াও তাঁদের পরিবার পরিজনরা আসেন। আর এই অবস্থায় যদি হোটেলে পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকে তবে সেটা বিশাল বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। মুম্বই, চেন্নাই, বেঙ্গালুরুর মতো বড় বড় শহরে এই জ্বালানির সংকট দেখা গিয়েছে। এই নিয়েই এক সাক্ষাৎকারে অরুণ ধুমাল জানিয়েছেন, ‘এখনও পর্যন্ত কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে তো আমাদের পড়তে হবে বলেই মনে হচ্ছে। হোটেলগুলোর তরফে আমাদের কিছু জানানাে হয়নি যদিও। আমাদের হোটেল বুকিংয়ের বিষয় থাকে। প্লেয়ারদের নিরাপত্তার একটা ইস্যু থেকেই যায়। সব মিলিয়ে আরও কিছুদিন পরিস্থিতি দেখেই আমরা যে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পৌঁছতে পারব।’

একদিকে যুদ্ধে জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া। এই সময় হরমুজ প্রণালীতে আটকে রয়েছে বহু জাহাজ। যার প্রভাব পড়েছে অপরিশোধিত তেল সরবরাহে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ‘নিয়ন্ত্রণ’-এর রাস্তায় হেঁটেছে কেন্দ্র। বাণিজ্যিক গ্যাসের জোগানে টান পড়ায় মুম্বইয়ের অন্তত ২০ শতাংশ হোটেল এবং রেস্তরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে, সেখানকার হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলির সংগঠনের। তাদের দাবি, জোগান স্বাভাবিক না-হলে, কয়েক দিনের মধ্যে শহরের অন্তত ৫০ শতাংশ হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিতে হবে। এর প্রভাব সর্বত্র কম বেশি পড়তে দেখা গিয়েছে ইতিমধ্যেই আর এর প্রভাবে এখন আইপিএল-ও সংশয়ের মুখে (IPL 2026)।


