Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই)-এর সাম্প্রতিক একাধিক পদক্ষেপের ফলে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে (FY27) অতিরিক্ত ৫৫ থেকে ৬৫ বিলিয়ন ডলার বিদেশি মুদ্রা ভারতে আসতে পারে বলে জানিয়েছে SBI Ecowrap-এর নতুন রিপোর্ট(RBI Foreign Currency)। এতে দেশের বৈদেশিক খাত আরও শক্তিশালী হবে এবং ভারতীয় টাকার স্থিতিশীলতা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিদেশি মুদ্রা আসার সম্ভাবনা (RBI Foreign Currency)
রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি ও জুন মাসে আরবিআই যে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, তা মূলত দীর্ঘমেয়াদি বিদেশি মূলধন আকর্ষণ, দেশীয় ঋণ বাজারকে আরও গভীর করা এবং বৈদেশিক অর্থায়নের ওপর চাপ কমানোর লক্ষ্যেই করা হয়েছে।
সবচেয়ে বড় অবদান আসতে পারে FCNR(B) বা ফরেন কারেন্সি নন-রেসিডেন্ট ব্যাঙ্ক ডিপোজিটের মাধ্যমে। SBI Research-এর অনুমান, এই খাত থেকে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত তহবিল আসতে পারে। আকর্ষণীয় আমানত সুদহার এবং আরবিআইয়ের ডলার-রুপি সোয়াপ সুবিধা এই প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করবে।
আরবিআই তিন থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি নতুন FCNR(B) আমানতের জন্য বিশেষ ফরেক্স সোয়াপ উইন্ডো চালু করেছে। ২০১৩ সালে ভারতীয় টাকার ওপর প্রবল চাপের সময় একই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ২৪.৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের নজিরও তুলে ধরেছে SBI।
এছাড়া এক্সটার্নাল কমার্শিয়াল বোরোয়িং (ECB) এবং ওভারসিজ ফরেন কারেন্সি বোরোয়িং (OFCB) রুট থেকেও ১৫ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার আসতে পারে। হেজিং খরচ কমে যাওয়ায় বিদেশ থেকে ঋণ নেওয়া সংস্থা ও ব্যাঙ্কগুলোর পক্ষে পরিস্থিতি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে(RBI Foreign Currency)।
আরও পড়ুন: SA Firing: জোহানেসবার্গে ভয়াবহ গণগুলিবর্ষণ, নিহত অন্তত ১২, জখম ৯
এই প্রবাহ ভারতের ব্যালান্স অব পেমেন্টস (BoP)-এ বড় পরিবর্তন আনতে পারে(RBI Foreign Currency)। SBI Research এখন FY27-এ ৫ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলারের উদ্বৃত্তের পূর্বাভাস দিয়েছে, যেখানে আগে ৬৫ থেকে ৭০ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতির আশঙ্কা করা হয়েছিল।
তবে রিপোর্টে সতর্ক করে বলা হয়েছে, টাকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আরবিআইকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বাজারের আস্থা বজায় রাখা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



