Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতে গত পাঁচ দশকে জন্মহারের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন। স্যাম্পল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (এসআরএস) ২০২২-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট প্রজনন হার (টিএফআর) ১৯৭১ সালের ৫.২ থেকে কমে ২০২২ সালে ২.০-এ নেমে এসেছে(India Fertility Rate)। শহরাঞ্চলে এই হার আরও কম, ৪.১ থেকে নেমে ১.৬ হয়েছে। গ্রামীণ এলাকায়ও টিএফআর ৫.৪ থেকে ২.২-এ নেমেছে।
দিল্লিতে কমছে জন্মহার (India Fertility Rate)
বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু জনসংখ্যা বা নীতিগত বিষয় নয়; নগর ভারতের প্রজনন স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিতও বহন করছে। দিল্লিতে টিএফআর ১.২-এ নেমে আসা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। এই হার বিশ্বের সর্বনিম্ন জন্মহারের অঞ্চলগুলির সঙ্গে তুলনীয়।
বিড়লা ফার্টিলিটি অ্যান্ড আইভিএফ-এর বিশেষজ্ঞ ডা. মুসকান ছাবরার মতে, মহানগরগুলিতে মানুষ আগের তুলনায় অনেক পরে পরিবার গঠনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। জাতীয় স্তরে সর্বাধিক সন্তান জন্মদানের বয়স ২০-২৪ বছর থেকে সরে ২৫-২৯ বছরে এসেছে। দিল্লির মতো শহরে এই প্রবণতা আরও বেশি।
তিনি জানান, অনেক নারী তিরিশের কোঠায় পৌঁছে প্রথমবার গর্ভধারণের চেষ্টা করছেন। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান কমতে থাকে, ফলে সন্তানধারণ কঠিন হতে পারে।
এছাড়া জীবনযাত্রাজনিত স্বাস্থ্য সমস্যাও বড় ভূমিকা রাখছে। এনএফএইচএস-৬-এর তথ্য অনুযায়ী, শহুরে ভারতের ৪২ শতাংশের বেশি নারী অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতায় ভুগছেন। অন্যদিকে, প্রায় ২১ শতাংশ পুরুষের রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি বা তারা ডায়াবেটিসের চিকিৎসা নিচ্ছেন।
চিকিৎসকদের মতে, স্থূলতা, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও ডায়াবেটিস ডিম্বস্ফোটন, হরমোনের ভারসাম্য, শুক্রাণুর গুণমান এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে (India Fertility Rate)।
আরও পড়ুন: RBI Foreign Currency: RBI-এর নতুন পদক্ষেপে দেশে বিদেশি মুদ্রা আমদানির সম্ভাবনা, দাবি SBI Ecowrap-এর
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা শুধুমাত্র সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনার সময় নয়, আরও আগে থেকেই শুরু হওয়া উচিত(India Fertility Rate)। এতে মানুষ সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা সহায়তা নিতে সক্ষম হবে।



