Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজ্যের আকাশে ফের দুর্যোগের পূর্বাভাস। বসন্তের শেষ লগ্নে প্রকৃতির এমন রূপ বদল নতুন নয় (Weather), তবে এবারের সতর্কতা কিছুটা বেশি তীব্র। আলিপুর হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার ও শনিবার মিলিয়ে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে ঝড়–বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার দাপট দেখা যেতে পারে।
কমলা সতর্কতায় ১২ জেলা (Weather)
আবহাওয়া দফতর ইতিমধ্যেই ‘কমলা সতর্কতা’ জারি করেছে অন্তত ১২টি জেলায়। দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে রয়েছে, কলকাতা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং হুগলি। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে সতর্কতার তালিকায়, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা। এই জেলাগুলিতে তীব্র ঝড়, বজ্রবিদ্যুৎ এবং ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
হলুদ সতর্কতায় বাকি জেলা (Weather)
রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলিতে ‘হলুদ সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। এখানে পরিস্থিতি তুলনামূলক কম তীব্র হলেও, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, দমকা হাওয়া, স্থানীয় ঝোড়ো আবহাওয়া, এসব ঘটনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

‘স্কোয়াল ফ্রন্ট’ কী? কেন এত ভয়? (Weather)
আবহবিদদের মতে, দক্ষিণবঙ্গে একটি শক্তিশালী ‘স্কোয়াল ফ্রন্ট’ তৈরি হতে পারে। এই স্কোয়াল ফ্রন্ট হল এমন একটি অঞ্চল, যেখানে বিপরীতমুখী (পূর্ব ও পশ্চিম দিকের) বায়ু একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ফলে তৈরি হয়— শক্তিশালী কনভারজেন্স জোন, ঘন কিউমুলোনিম্বাস মেঘ, প্রবল অস্থির আবহাওয়া এই মেঘের বিন্যাস অনেক সময় ইংরেজি উল্টো ‘L’ অক্ষরের মতো দেখা যায়, যা তীব্র ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দেয়।
ঝড়ের তীব্রতা কতটা হতে পারে? (Weather)
শনিবার ঝড়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায়, হাওয়ার গতি: ঘণ্টায় ৭০ কিমি পর্যন্ত, এলাকা: পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, অন্য জেলাগুলিতে, হাওয়ার গতি: ৫০–৬০ কিমি/ঘণ্টা, সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ ও বৃষ্টি।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/25/weather-2026-02-25-08-24-26.jpg)
আরও পড়ুন: Humayun Kabir: বড় দলগুলোর মাঝে হুমায়ূনের ‘আম জনতা’, গেমচেঞ্জার হতে পারবে
উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা
উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপট বেশি হতে পারে। বিশেষত, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পংয়ে ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস, যা ‘ভারী বৃষ্টি’ হিসেবে ধরা হয়, এর ফলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস বা রাস্তা বিপর্যয়ের আশঙ্কাও থেকে যায়।



