Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরে সমালোচনার মুখে কেকেআর। গোটা মরশুমে বোলিং নিয়ে চিন্তায় থাকবে নাইট শিবির (KKR vs MI)।
কলকাতার দুঃস্বপ্নের নাম রোহিত (KKR vs MI)
রোহিতদের সামনে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ ২৫ কোটির গ্রিন। কলকাতার হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দেওয়া তারকা অ্যালেন শুরুটা ভাল করলেন কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না শাহরুখ খানের দলের (KKR vs MI)।
এই দিন টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন মুম্বই অধিনায়ক। ভারতের প্রাক্তন তারকা অনিল কুম্বলে জানান, ‘এই পিচে ব্যাটিং করা সহজ হবে। শুরুর দিকে অবশ্য বোলারদের সামলাতে হবে। তাঁরা এই উইকেটে সুবিধা পাবেন। কিন্তু যত ম্যাচ গড়াবে পিচ হয়ে উঠবে ব্যাটিং বান্ধব।’ সেটাই প্রমাণ হলো শেষ পর্যন্ত। এই মাঠেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচে প্রায় ৫০০ রান উঠেছিল।
আইপিএল-এর আগে সমালোচিত হলেও এই ম্যাচে জ্বলে উঠলেন নাইট অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে। রাহানে আর অ্যালেন শুরুটা যেভাবে করেন তাতে বোঝা যায় যে ২০০ পার করবে নাইট শিবির। কিন্তু একসময় রানের গতি যা ছিল সেখান থেকে কিছু রান বরং কম ওঠে কলকাতার।
ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬৯ রান অ্যালেন ১৭ বলে ৩৭ রান করেন। কিন্তু নাইট শিবিরে বড় আঘাত হানেন ‘লর্ড’ শার্দুল। একাই পরপর তিন উইকেট নিয়ে নাইটদের রানের গতি কমিয়ে দেন। ৪০ বলে ৬৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে আউট হন রাহানে।

ক্যামেরন গ্রিনকে নিলামে সবথেকে বেশি দামে দলে নেয় কেকেআর। ২৫ কোটির এই অজি অলরাউন্ডার প্রথম ম্যাচেই ব্যর্থ হন। ১০ বলে ১৮ করে আউট হন গ্রিন।
অঙ্গকৃষ রঘুবংশী ও রিঙ্কু সিংয়ের ব্যাট শেষের দিকে কথা বলায় ওয়াংখেড়েতে কলকাতা নাইট রাইডার্স শেষ পর্যন্ত করল ৪ উইকেটে ২২০ রান। রঘুবংশীর কথা আলাদা করে বলতেই হবে। শেষের দিকে বুমরাকে সামলে তিনি নাইটদের ইনিংসে গতি আনেন আর সেটা প্রশংসা যোগ্য। এদিন মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ঠিক সময়ে ২৯ বলে ৫১ রান করে গেলেন রঘুবংশী। রিঙ্কু ২১ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থেকে যান (KKR vs MI)।
ব্যাট করতে নেমে মুখ থুবড়ে পড়ে কলকাতার বোলিং। বলা যায় অসহায় আত্মসমর্পণ করলো রোহিতদের সামনে। এখন থেকে প্রশ্ন জাগবে যে নিলামে মুস্তাফিজুরকে নেওয়ার বদলে অন্য কোনও বোলার নেওয়ার কথা কেন ভাবলো না নাইট ম্যানেজমেন্ট। রাহানের ক্যাপ্টেন্সি নিয়েও প্রশ্ন উঠবে যে প্রথম পাওয়ার প্লে-এর সময় যেখানে বাকি বোলার মার খাচ্ছে সেখানে নারিনকে আনা হলো না কেন।
আরও পড়ুন: Sandy Saha: কী হয়েছিল সেই ৪০ মিনিটে… স্যান্ডির বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড়
যতক্ষণে নারিন এলেন বলা যায় খেলা নাইটদের হাতের বাইরে। প্রথম ছয় ওভারেই খেলা মুম্বইয়ের দিকে নিয়ে আসেন রোহিত-রিকেলটন। দুজনেই ঝোড়ো ইনিংস খেলতে থাকেন। রোহিত বুঝিয়ে দিলেন যে তিনি দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন। টি-২০ থেকে অবসর নিলে কী হবে, তাঁর ঝোড়ো হাফসেঞ্চুরি যেন অন্য গল্প লিখল। এখানে আবার বিতর্কের জন্ম। তিনি কি স্বইচ্ছেতে অবসর নিয়েছিলেন নাকি বাধ্য করা হয়েছে। একই প্রশ্ন থেকে যাবে বিরাট কোহলির জন্যও। ৩৮ বলে ৭৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে আউট হন রোহিত। তাঁর এই ইনিংসে ছিল ৬টি করে চার-ছক্কা।
অন্যদিকে তাণ্ডব চালাতে থাকেন রিকেলটনও। নাইটদের কোনও বোলারকে রেয়াত করেননি এই তারকা ব্যাটার। ৮টি ছক্কা এবং চারটি চারের সৌজন্যে ৪৩ বলে ৮১ করে রান-আউট হন রিকেলটন। পরিবর্তে ক্রিজে আসেন হার্দিক পান্ডিয়া। বিশ্বকাপের পর আইপিএল-এর প্রথম ম্যাচেও ব্যর্থ হলেন সূর্যকুমার যাদব। হেলায় কলকাতাকে হারিয়ে নিজেদের আইপিএল মরশুম শুরু করলেন হার্দিক পান্ডিয়ারা (KKR vs MI)।


