Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গ্রিস্টোনস শহরের ছোট্ট এক উদ্যোগ এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয়। কোভিড-পরবর্তী সময়ে আয়ারল্যান্ডের এই সমুদ্রতীরবর্তী শহরের স্কুলগুলোতে ফিরে আসা শিশুদের মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেন সেন্ট প্যাট্রিক্স ন্যাশনাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক র্যাচেল হারপার। অনেক শিশু উদ্বেগে ভুগছিল, স্কুলে আসতে চাইছিল না, ঘুমের সমস্যা হচ্ছিল, এমনকি কেউ কেউ ক্যালোরি গোনার অ্যাপ ব্যবহার শুরু করেছিল(Smartphone Ireland)।
মানসিক চাপে শিশুরা (Smartphone Ireland)
অভিভাবকদের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা যায়, ৮০০ পরিবারের মধ্যে অর্ধেকের বেশি শিশু মানসিক চাপে ভুগছে। শুধু স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ করলেই সমস্যা মেটেনি, কারণ বাড়িতে স্মার্টফোন ব্যবহারের প্রভাব স্কুলেও পড়ছিল।
“নো-স্মার্টফোন কোড”
এই পরিস্থিতিতে গ্রিস্টোনসের আটটি প্রাথমিক স্কুলের অভিভাবকরা একসঙ্গে একটি স্বেচ্ছাসেবী “নো-স্মার্টফোন কোড” চালু করেন। সিদ্ধান্ত হয়, মাধ্যমিকে ওঠার আগে শিশুদের স্মার্টফোন দেওয়া হবে না। লক্ষ্য ছিল, সবাই মিলে এই সিদ্ধান্ত নিলে কোনও শিশু নিজেকে আলাদা মনে করবে না এবং অভিভাবকরাও সামাজিক সমর্থন পাবেন। প্রায় ৭০ শতাংশ পরিবার এতে সায় দেয়।
কম বয়সে স্মার্টফোনে সমস্যা (Smartphone Ireland)
গবেষণাও এই উদ্বেগকে সমর্থন করছে। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, কম বয়সে স্মার্টফোন ব্যবহারের সঙ্গে বিষন্নতা, ঘুমের সমস্যা ও আত্মহত্যার চিন্তার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তিন বছর পরেও গ্রিস্টোনস দাবি করে না যে তারা সমস্যার সমাধান করে ফেলেছে। তবে শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষার্থীরা এখন বেশি মনোযোগী, আর অভিভাবকরা জানাচ্ছেন, ফোন নিয়ে ঝগড়া কমেছে। শিশুরা এখন বেশি সময় বাইরে খেলছে ও সরাসরি বন্ধুদের সঙ্গে মিশছে।
আরও পড়ুন: DGCA Decision: উড়ানে আসন সংক্রান্ত কী নয়া সিদ্ধান্ত DGCA-র?
দশে মিলে করি কাজ… (Smartphone Ireland)
গ্রিস্টোনসের এই উদ্যোগ এখন ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আগ্রহের কেন্দ্র। মূল শিক্ষা একটাই সমস্যার মোকাবিলায় একা নয়, সবাই মিলে এগোলে পরিবর্তন সম্ভব।



