Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিল্লির বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে লড়াই এবার পেতে পারে একেবারে ভবিষ্যতমুখী মোড়। এক নয়া উদ্যোগে দিল্লি সরকার হাত মিলিয়েছে আইআইটি মাদ্রাজের সঙ্গে, যেখানে পরীক্ষা করা হবে রাস্তা ও ভবনের উপরিভাগই কি দূষণ কমাতে পারে(Delhi Smog Protection)?
Smog-Eating Surfaces (Delhi Smog Protection)
এই প্রকল্পের মূল ধারণা হল smog-eating surfaces। বিশেষ ধরনের আবরণ (কোটিং) ব্যবহার করে রাস্তা, ফুটপাত ও ভবনের গায়ে এমন স্তর লাগানো হবে, যা বাতাসের ক্ষতিকর দূষক ভেঙে কম ক্ষতিকর পদার্থে রূপান্তর করতে পারে। অর্থাৎ, শহরের পরিকাঠামোই হয়ে উঠবে এক ধরনের নিষ্ক্রিয় এয়ার পিউরিফায়ার।
প্রযুক্তির ভিত্তি ‘ফটোক্যাটালাইসিস’
এই প্রযুক্তির ভিত্তি ‘ফটোক্যাটালাইসিস’। কোটিংয়ে থাকা টাইটানিয়াম ডাই-অক্সাইড (TiO₂) সূর্যালোকের সংস্পর্শে এলে সক্রিয় হয়ে ওঠে। তখন এটি নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO₂) ও ভোলাটাইল অর্গানিক কম্পাউন্ডস (VOCs)-এর মতো দূষকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সেগুলোকে কম ক্ষতিকর যৌগে বদলে দেয়।
ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা চালানো হবে (Delhi Smog Protection)
প্রথমে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা চালানো হবে, তারপর দিল্লির বাস্তব পরিবেশে পাইলট প্রকল্প শুরু হবে। প্রায় ছয় মাস ধরে চলা এই গবেষণায় দেখা হবে এই কোটিং কতটা কার্যকর, দিল্লির আবহাওয়ায় কতটা টেকসই, এবং বড় পরিসরে প্রয়োগ করা কতটা সাশ্রয়ী।
আরও পড়ুন: Smartphone Ireland: স্মার্টফোন নিয়ে আয়ারল্যান্ডের এক শহর কী শিক্ষা দিল বিশ্বকে?
দূষণ মোকাবিলায় সহায়ক পদক্ষেপ (Delhi Smog Protection)
পরীক্ষা সফল হলে, এই প্রযুক্তি শহরের ব্যস্ত রাস্তা, ভবনের বাইরের দেয়াল, কাঁচ বা ধাতব পৃষ্ঠ, এমনকি ছাদ বা স্ট্রিটলাইটের প্যানেলেও ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের প্রযুক্তি আগে পরীক্ষা করা হয়েছে, বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন এটি একক সমাধান নয়। সূর্যালোক, যানবাহনের চাপ ও জলবায়ুর ওপর ফলাফল নির্ভর করতে পারে। তবু, দূষণ মোকাবিলায় এটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক পদক্ষেপ।



