Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ঘোষণার পর আবারও কি ব্যাপক পতনের মুখে পড়বে দালাল স্ট্রিট (Share Market)?
ফের পতনের মুখে এশিয়ার শেয়ার বাজার (Share Market)
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ বন্ধ বন্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বার্তা দেবেন, এমনটাই আশা করে বসেছিল গোটা বিশ্ব। সেই মতো এশিয়ার বিভিন্ন বাজারেও সকালে পজিটিভ ওপেনিং হয়েছিল কিন্তু সেই ছবি পাল্টে যেতে বেশিক্ষণ সময় লাগেনি। ট্রাম্পের বক্তব্যের পরেই মার্কেট হাঁটলো আবার উল্টো পথে। ফের পতনের মুখে পড়ল এশিয়ার বিভিন্ন শেয়ার বাজার। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ল আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম। এই আবহে ভারতের মার্কেটেও ডাউন স্টার্টের সম্ভাবনা বাড়ল বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা (Share Market)।
এই সপ্তাহের শুরুতে ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছিল দুই বেঞ্চমার্ক ইনডেক্স কিন্তু বুধবার আবার পজিটিভে ফেরে মার্কেট। দুই সূচকের বৃদ্ধিতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছিল লগ্নিকারীদের মধ্যে। শেষ ট্রেডিং সেশনে নিফটি৫০ ৩৪৮ পয়েন্ট বা ১.৫৬ শতাংশ বেড়েছিল এবং সেনসেক্স বেড়েছিল ১.৬৪ শতাংশ বা ১১৮৬ পয়েন্ট। সেই ধারা বজায় থাকার সম্ভাবনা কম বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। মুখ থুবড়ে পড়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পতনের মুখ দেখেছে গিফ্ট নিফটি। ট্রাম্পের বক্তব্য শেষের পরে গিফ্ট নিফটি আগের দিনের তুলনায় ৪৪৪ পয়েন্ট কমে নেমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ পয়েন্টে। যার কারণে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ডাউন স্টার্টের সম্ভাবনা বেশি।

এর পাশাপাশি এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বাজারও প্রাথমিক বৃদ্ধির প্রবণতাকে পিছনে ফেলে ডাউন হয়ে গিয়েছে। জাপানের শেয়ার সূচক নিক্কেই ২২৫ ট্রাম্পের বক্তব্যের পরে ১.৪ শতাংশ ডাউন হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি শেয়ার সূচক ২.৮২ শতাংশ কমেছে এবং স্মল ক্যাপ কোসড্যাক ৩ শতাংশের বেশি নেমেছে। হংকংয়ের মার্কেটও নেগেটিভ রয়েছে। তুলনামূলকভাবে চিনের মার্কেটে পতনের হার কম। এই দিন ধসে গিয়েছে আমেরিকার শেয়ার মার্কেট (Share Market)।
আরও পড়ুন: kaliachak: ‘নাম নেই তালিকায়’! উত্তাল কালিয়াচক, কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণে পরিস্থিতি
এ দিন যুদ্ধ বন্ধের ব্যাপারে কোনও ইঙ্গিত দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর আগে তিনি ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এ দিন তিনি এই বিষয়ে কিছু উচ্চবাচ্চ করেননি। যা বাজারের সেন্টিমেন্টে ঋণাত্মক প্রভাব ফেলেছে। যুদ্ধ বন্ধের বদলে তিনি ইরানের উপর আরও তীব্র হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে আমেরিকা। এর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী খোলা নিয়েও ইতিবাচক কোনও বার্তা শোনা যায়নি মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখে। উল্টে ট্রাম্প যা বলেছেন তা বাজারের হতাশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে (Share Market)।


