Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি ঘিরে এখন সবার মনে দুটি বড় প্রশ্ন এই শান্তি কতদিন টিকবে এবং তেল-গ্যাসের দাম কবে স্বাভাবিক হবে(Iran US War)? বাস্তবতা হলো, এই দুই প্রশ্নেরই নির্দিষ্ট উত্তর এখনও অনিশ্চিত।
যুদ্ধবিরতির পর আন্তর্জাতিক বাজারে স্বস্তি Iran US War)
যুদ্ধবিরতির পর আন্তর্জাতিক বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একধাক্কায় প্রায় ১৬ শতাংশ কমে ব্যারেল প্রতি ৯৩ ডলারে নেমেছে। যুদ্ধ শুরুর সময় এটি ১১৯ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। তবে সংঘাতের আগের স্তরে ফিরতে এখনও অনেকটা পথ বাকি।
হরমুজ প্রণালী ঘিরে বড় সমস্যা
সবচেয়ে বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালী ঘিরে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও এলএনজি এই পথ দিয়ে যাতায়াত করে। বর্তমানে এই পথ কার্যত অচল। হাজার হাজার জাহাজ উপসাগরে আটকে রয়েছে, যার মধ্যে তেলবাহী ট্যাঙ্কারও আছে। খাদ্য ও পানির সংকটও দেখা দিচ্ছে অনেক জাহাজে।
তেল-গ্যাস পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত
যুদ্ধের কারণে সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও কুয়েতের তেল-গ্যাস পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে কাতারের এলএনজি উৎপাদন প্রায় ২০ শতাংশ কমে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে কয়েক বছরও লাগতে পারে।
টোল নিয়ে নয়া বিতর্ক Iran US War)
এর পাশাপাশি বেড়েছে বীমা খরচ ও পরিবহন ঝুঁকি। অনেক জাহাজ মালিক এখনও এই রুটে ফিরতে চাইছেন না। ইরান প্রণালী দিয়ে চলাচলের জন্য টোল বসানোর প্রস্তাব দিয়েছে, যা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
ভারতের পরিস্থিতি তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে Iran US War)
ভারতের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কেন্দ্র সরকার জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখতে এক্সসাইজ ডিউটি কমিয়েছে এবং তেল সংস্থাগুলোকে দাম না বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়া ও ইরান থেকে তেল আমদানির ব্যবস্থা করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। যুদ্ধবিরতি কিছুটা স্বস্তি দিলেও বিশ্ব জ্বালানি বাজার এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়েছে।



