Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ যখন ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, ঠিক সেই সময়েই ফের সক্রিয় হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Sujit Bose) পুর নিয়োগ দুর্নীতি ও জমি সংক্রান্ত মামলায় একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে তলব করায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

নির্বাচনী ব্যস্ততার অজুহাত (Sujit Bose)
বিধাননগরের তৃণমূল প্রার্থী Sujit Bose-কে এই নিয়ে তৃতীয়বার তলব করল ইডি। সূত্রের খবর, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখতেই এই সমন পাঠানো হয়েছে। তবে সুজিত বসু ইতিমধ্যেই ইডিকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত। তাই এই মুহূর্তে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি ভোটের পর সহযোগিতা করবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ তুলেছেন, এই তলব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তাঁকে হেনস্তা করার চেষ্টা চলছে।
জমি দুর্নীতির অভিযোগ (Sujit Bose)
অন্যদিকে, মধ্যমগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী Rathin Ghosh-কেও দ্বিতীয়বার তলব করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। গতবার হাজিরা না দেওয়ার পর আবারও তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তিনিও জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে হাজিরা দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

দেবাশিস কুমারের উপস্থিতি (Sujit Bose)
এই প্রেক্ষাপটে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছেন রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী Debasish Kumar। জমি দুর্নীতি মামলায় তাঁকেও তলব করেছিল ইডি। প্রচারের ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি নির্দিষ্ট সময়েই সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করেন। তাঁর এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ষড়যন্ত্রের অভিযোগ (Sujit Bose)
পরপর তিনজন হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থীকে তলব করার ঘটনায় শাসক দল All India Trinamool Congress সরব হয়েছে। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে ইডিকে ব্যবহার করে রাজনৈতিকভাবে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে তেমন কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এই ধরনের পদক্ষেপ নির্বাচন-পূর্ব রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন: Jungle Mahal: রাস্তা নেই, তাহলে ভোট কেন? জঙ্গল মহলে বয়কটের হুঁশিয়ারি!
দ্বৈত বাস্তবতার টানাপোড়েন
ভারতের রাজনৈতিক বাস্তবতায় নির্বাচনের আগে তদন্তকারী সংস্থাগুলির সক্রিয়তা নতুন কিছু নয়। তবে প্রতিবারই প্রশ্ন ওঠে এটি কি সত্যিই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই, নাকি রাজনৈতিক কৌশলের অংশ? এই ঘটনায়ও সেই একই প্রশ্ন সামনে এসেছে। একদিকে দুর্নীতির অভিযোগের গুরুত্ব, অন্যদিকে নির্বাচনের সময়কাল এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।



