Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের হরমুজ প্রণালী অবরোধের পাল্টা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ঘোষণা করায় সংঘাত এখন নতুন মোড় নিয়েছে(US Iran)। যুদ্ধের ফল নির্ধারিত হতে পারে ক্ষেপণাস্ত্র নয়, বরং তেলের সরবরাহ পথ এই গুরুত্বপূর্ণ ‘চোকপয়েন্ট’ নিয়ন্ত্রণের উপর, এবং শেষ পর্যন্ত কে আগে চাপের মুখে নতি স্বীকার করে তার উপর।
জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে মার্কিন নৌবাহিনী (US Iran)
ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, মার্কিন নৌবাহিনী প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে এবং যারা ইরানকে টোল দিয়েছে, তাদের আন্তর্জাতিক জলসীমায়ও আটকানো হতে পারে। তবে সেন্টকম স্পষ্ট করেছে, কেবল ইরানের বন্দরমুখী জাহাজগুলোকেই লক্ষ্য করা হবে; অন্য দেশের বাণিজ্যিক চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করা হবে না।
ট্রাম্পের পদক্ষেপে জটিল পরিস্থিতি
গত এক মাস ধরে ইরান সীমিত সংখ্যক জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছিল, ফলে বিশ্বে তেল-গ্যাস সরবরাহ আংশিক চালু ছিল। কিন্তু ট্রাম্পের পদক্ষেপে পরিস্থিতি আরও কঠোর হয়ে উঠতে পারে। ইরান ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ২০-২৫ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহে বাধা দিয়েছে, আর পশ্চিম এশিয়ায় হামলার ফলে আরও ১০-১২ শতাংশ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।
৩৭-৩৯ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত (US Iran)
বিশ্বে ইরানের তেল সরবরাহ মাত্র ২ শতাংশ হলেও, ট্রাম্পের অবরোধ কার্যকর হলে মোট ৩৭-৩৯ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ইতিমধ্যেই ব্রেন্ট ক্রুড ১০২ ডলার এবং ডব্লিউটিআই ১০৪ ডলারে পৌঁছেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের রপ্তানি শূন্যে নামলে তেলের দাম আরও ১০-৩০ ডলার বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন: Voter Biometric: সঠিক ভোটার চিহ্নিতকরণের জন্য বায়োমেট্রিক: নতুন করে দায়ের জনস্বার্থ মামলা
প্রভাব পড়বে বিশ্বজুড়ে (US Iran)
এর প্রভাব বিশ্বজুড়ে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্রে ইতিমধ্যেই মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, পেট্রোলের দাম গ্যালনপ্রতি ৪ ডলার ছাড়িয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে ০.৫ শতাংশে নেমেছে, বেকারত্ব বেড়েছে, এবং শিল্পখাতে চাকরি কমছে। ফলে ট্রাম্পের এই কৌশল একদিকে ইরানের ওপর চাপ বাড়ালেও, অন্যদিকে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে আরও গভীর সংকটে ঠেলে দিতে পারে।



