Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে নয়াদিল্লিতে বিশেষভাবে ব্র্যান্ডিং করা একটি অটো-রিকশার টিম চালু করেছে মার্কিন দূতাবাস(Freedom Auto)। ‘ফ্রিডম ২৫০’ উদ্যোগের আওতায় আনা এই ইলেকট্রিক রিকশাগুলি উদ্বোধন করেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। একাধিক রিকশায় আমেরিকান লোগো ও স্লোগান ব্যবহার করা হয়েছে, যা দুই গণতান্ত্রিক দেশের অংশীদারিত্বকে জনসাধারণের মধ্যে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে তৈরি।
নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে (Freedom Auto)
রাষ্ট্রদূত সামাজিক মাধ্যমে জানান, এই উদ্যোগ সবুজ জ্বালানি, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের প্রতীক। তবে এই কর্মসূচির সময় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ একই সময়ে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ইরান-সংক্রান্ত সংঘাত বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলছে।
বাস্তবজ্ঞানহীন উদ্যোগ
দিল্লির সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া কিন্তু আশানুরূপ নয়। সামাজিক মাধ্যমে বহু নাগরিক এই উদ্যোগকে বাস্তবজ্ঞানহীন বলে সমালোচনা করেছেন। শহরে জ্বালানি সংকট, পেট্রল পাম্পে দীর্ঘ লাইন এবং পরিবহন সমস্যার মধ্যে এমন ব্র্যান্ডেড রিকশা চালু করাকে অনেকেই অপ্রাসঙ্গিক বলে মনে করছেন।
বিদেশি রাজনৈতিক বার্তা চাপানোর চেষ্টা (Freedom Auto)
সমালোচকদের মতে, এটি বাস্তব সমস্যার সমাধান নয়, বরং বিদেশি রাজনৈতিক বার্তা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যেখানে সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন সমস্যায় জর্জরিত, সেখানে এই ধরনের প্রচারমূলক প্রকল্প কতটা যুক্তিযুক্ত।
আরও পড়ুন: Women Reservation: সংসদে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরের উদ্যোগ: তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল পেশ
উল্টো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি (Freedom Auto)
বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ কূটনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা উল্টো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রভাব যখন সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনে পড়ছে, তখন এই ‘ফ্রিডম’ রিকশাগুলি অংশীদারিত্বের প্রতীক না হয়ে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।



