Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরান আবারও হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে সীমিতভাবে খুলে দেওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে(Hormuz Close)। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নৌ অবরোধ প্রত্যাহার না করায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আমেরিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ (Hormuz Close)
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরজিসি অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র তথাকথিত অবরোধের আড়ালে “সমুদ্র দস্যুতা ও সামুদ্রিক লুটতরাজ” চালিয়ে যাচ্ছে। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ এখন আবার আগের মতোই কঠোরভাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ফিরে গেছে।
নতুন করে অনিশ্চয়তা
আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, যতদিন না যুক্তরাষ্ট্র ইরান থেকে জাহাজ চলাচলের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে, ততদিন এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিশেষ করে তেল ও গ্যাস পরিবহনে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সীমিত শর্তে প্রণালী খোলে ইরান
এর আগে শনিবার ইরান সীমিত শর্তে প্রণালী খুলে দিয়েছিল। তারা জানিয়েছিল, শুধুমাত্র বেসামরিক জাহাজ চলাচল করতে পারবে; যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক জাহাজের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। তবে এই শর্ত দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
মার্কিন অবরোধ বজায় (Hormuz Close)
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে চুক্তি না হলে ইরানি বন্দরগুলির ওপর মার্কিন অবরোধ বজায় থাকবে। তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়ানো নাও হতে পারে। এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বুধবার শেষ হওয়ার কথা।
আরও পড়ুন: Sakshi Coaching: ‘মা আমি পাশ করেছি’, সাক্ষীর ছোট কথায় জীবন বদলের সুর
পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে (Hormuz Close)
মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার কয়েকটি এলপিজি ক্যারিয়ার ও তেলবাহী ট্যাঙ্কার ইরানি জলসীমা দিয়ে প্রণালী অতিক্রম করেছিল। তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, অবরোধ শুরুর পর তারা অন্তত ২১টি জাহাজকে ঘুরিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে, আর হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে উত্তেজনা বিশ্ববাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।



