Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে রাজ্যের রাজনীতিতে বরাবরই আলাদা গুরুত্ব রয়েছে (Nandigram)। এবারের ভোটেও সেই উত্তেজনা তুঙ্গে। এর মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পবিত্র করের আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।
আত্মবিশ্বাসে ভরপুর পবিত্র কর (Nandigram)
ভোটের দিন সকাল থেকেই একেবারে নিশ্চিন্ত মেজাজে দেখা গেল তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করকে। যখন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বুথে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন, তখন পবিত্র কর বাড়িতে বসেই ভোটের খোঁজখবর নিচ্ছেন। মুখে স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের হাসি নিয়ে তিনি বলেন, “জিতে গিয়েছি, এখন শুধু ব্যবধান বাড়ানোর চিন্তা করছি।” এমন দৃঢ় মন্তব্য যে শুধুমাত্র রাজনৈতিক বার্তা নয়, তা স্পষ্ট। তিনি কত ভোটে জিতবেন, সেটাও একান্ত সাক্ষাৎকারে জানিয়ে দিয়েছেন, যদিও সেই ব্যবধানের হিসাব প্রকাশ্যে পুরোপুরি খোলসা করেননি।
ইভিএম সমস্যার মাঝেও শান্তিপূর্ণ ভোটের দাবি (Nandigram)
সকালের দিকে কয়েকটি বুথে ইভিএম মেশিন নিয়ে কিছু সমস্যার খবর সামনে আসে। তবে সেই সমস্যাকে বড় করে দেখছেন না পবিত্র কর। তাঁর দাবি, মোটের ওপর ভোট প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে এবং সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছেন। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, প্রশাসনিক দিক থেকে ভোট গ্রহণে বড় কোনও বাধা তৈরি হয়নি।
জয়ী হলে উন্নয়নের রূপরেখা প্রস্তুত (Nandigram)
শুধু জয়ের আত্মবিশ্বাস নয়, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও ইতিমধ্যেই করে ফেলেছেন তৃণমূল প্রার্থী। তিনি জানান, জয়ী হলে নন্দীগ্রামের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে, অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রামীণ অর্থনীতির শক্তিশালীকরণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার সম্প্রসারণ এইসব পরিকল্পনা তাঁর রাজনৈতিক বার্তাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
আরও পড়ুন: Murshidabad: ডোমকলের নরজপুরে ভোট দিতে গিয়েই মারধর
শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগে নতুন বিতর্ক
অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী একটি গুরুতর অভিযোগ সামনে এনেছেন। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামের ব্রজমোহন তিওয়ারি শিক্ষানিকেতনে দায়িত্বে থাকা এক বিএলও (BLO) ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই বিএলও মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলেন, ভোটারদের তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে ভোট দিতে অনুরোধ জানাচ্ছিলেন, শুভেন্দু অধিকারী নিজে হস্তক্ষেপ করে ওই বিএলও-কে সতর্ক করেন এবং নির্দেশ দেন যেন ভোট চলাকালীন এমন কোনও কাজ না করা হয়।



