Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের (Record Vote Percentage) প্রথম দফাতেই তৈরি হল নতুন নজির। বিকেল ৫টা পর্যন্ত গড় ভোটদানের হার পৌঁছেছে প্রায় ৮৯.৯৩ শতাংশে, যা কার্যত ৯০ শতাংশের কাছাকাছি। অতীতে ২০১১ সালের পরিবর্তনের ভোটে যে রেকর্ড তৈরি হয়েছিল, সেটিও এবার ভেঙে গেল। নন্দীগ্রামের মতো হাই-প্রোফাইল কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৯০ শতাংশেরও বেশি।
অতীতের সঙ্গে তুলনা (Record Vote Percentage)
বাংলায় ভোটের হার বরাবরই বেশি (Record Vote Percentage)। নব্বইয়ের দশকে তা ছিল ৮০ শতাংশের আশেপাশে। ১৯৯৬ সালে প্রায় ৮৩ শতাংশ ভোট পড়েছিল, যা সেই সময় জাতীয় গড়ের তুলনায় অনেকটাই বেশি। ২০০১ সালে কিছুটা কমলেও ২০০৬-এ ফের ৮০ শতাংশ ছুঁয়েছিল। ২০১১ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৪ শতাংশে। এরপর ২০১৬ ও ২০২১-দুই নির্বাচনেই গড় ভোট ছিল প্রায় ৮২ শতাংশ। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই এবার তা নতুন উচ্চতায় পৌঁছল।
ভোট শতাংশ এত বাড়ল কেন (Record Vote Percentage)
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের উচ্চ ভোটের পিছনে (Record Vote Percentage) বড় কারণ ভোটার তালিকার সংশোধন। বিশেষ অভিযানে মৃত ও ডুপ্লিকেট নাম বাদ যাওয়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা কমেছে। ফলে একই সংখ্যক মানুষ ভোট দিলেও শতাংশের হিসাবে তা অনেক বেশি দেখাচ্ছে। পাশাপাশি, অনেকের মধ্যে এই ধারণা তৈরি হয়েছিল যে ভোট না দিলে নাম বাদ যেতে পারে-যা ভোটদানে উৎসাহ বাড়িয়েছে।
জেলায় জেলায় নজির
দক্ষিণ দিনাজপুরে সর্বাধিক ৯৩.১২ শতাংশ ভোট পড়েছে। কোচবিহার, বীরভূম, মুর্শিদাবাদেও ৯১ শতাংশের বেশি। ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরেও ৯০ শতাংশ পেরিয়েছে। তুলনায় কালিম্পংয়ে ভোট কিছুটা কম, ৮১.৯৮ শতাংশ।
আরও পড়ুন: Humayun Kabir: ভোটের আবহে বাবরি মসজিদ বিতর্ক, মমতাকে ‘বৃন্দাবনে পাঠাব’ বললেন হুমায়ুন
রাজনৈতিক ব্যাখ্যা ভিন্ন
এই বিপুল ভোট নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির ব্যাখ্যাও আলাদা। শাসক শিবিরের মতে, এটি তাদের কাজের প্রতি আস্থার প্রতিফলন। অন্যদিকে বিরোধীদের দাবি, এই উচ্চ ভোটই পরিবর্তনের ইঙ্গিত।


