Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনিক প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে (Dhanadhanya Auditorium)। অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল ভোট নিশ্চিত করতে আজ কলকাতার আলিপুরে অবস্থিত ধনধান্য অডিটোরিয়ামে বসছে এক গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় বৈঠক। সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই বৈঠককে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে তৎপরতা তীব্র হয়েছে। এই বৈঠক শুধু একটি নিয়মমাফিক প্রশাসনিক আলোচনা নয় বরং এটি আসন্ন ভোটপর্বের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তিন জেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখাই মূল লক্ষ্য (Dhanadhanya Auditorium)
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে কলকাতার অন্তর্গত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী জেলা কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতেই এই বৈঠকের আয়োজন। এই তিন জেলার প্রতিটি বুথ, প্রতিটি এলাকা এবং প্রতিটি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সূক্ষ্মভাবে মূল্যায়ন করা হবে বলে সূত্রের খবর। কোথায় কী ঘাটতি রয়েছে, কোথায় অতিরিক্ত নজরদারি প্রয়োজন সেসব দিকেই থাকবে বিশেষ নজর।
কারা থাকছেন এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে (Dhanadhanya Auditorium)
এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন প্রশাসন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন— কলকাতার পুলিশ কমিশনার কলকাতা উত্তর, দক্ষিণ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা, সাধারণ, পুলিশ ও ব্যয় সংক্রান্ত পর্যবেক্ষকরা, ডিস্ট্রিক্ট ফোর্স কো-অর্ডিনেটররা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডাররা, কলকাতার সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসাররা, এই বহুমুখী অংশগ্রহণই প্রমাণ করে, নির্বাচনের প্রতিটি স্তরে সমন্বয় গড়ে তোলাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।
/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2023/04/dhana-dhanya.jpg)
নিরাপত্তা ও সংবেদনশীল বুথে বিশেষ নজর (Dhanadhanya Auditorium)
বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হল ভোটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিশেষ করে সংবেদনশীল ও অতিসংবেদনশীল বুথগুলির তালিকা পুনরায় খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে, কীভাবে টহলদারি চালানো হবে এবং কীভাবে দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে এসব বিষয়েই বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে আরও সুদৃঢ় সমন্বয় গড়ে তোলাই এই বৈঠকের অন্যতম উদ্দেশ্য।
ইভিএম ব্যবস্থাপনা ও প্রশিক্ষণেও জোর (Dhanadhanya Auditorium)
শুধু নিরাপত্তা নয়, প্রযুক্তিগত দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ইভিএম (EVM) ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ ও পরিবহণের প্রতিটি ধাপ যাতে নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে। এর পাশাপাশি ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ, বুথ ব্যবস্থাপনা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: Noapara Blast: শেষ দফা ভোটের আগে উত্তেজনা, বোমা বিস্ফোরণে কাঁপল নোয়াপাড়া!
স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোটের বার্তা
নির্বাচন কমিশন সূত্রে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে ভোটারদের নিরাপত্তা এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কোনো রকম খামতি রাখা হবে না। এই বৈঠকের মাধ্যমে প্রশাসন একটি শক্ত বার্তা দিতে চাইছে যে, নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।



