Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বয়স হয়েছিল প্রায় ৮০, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। অভিনেতা অবতার গিল তাঁর মৃত্যুর সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন (Bharat Kapoor) । সোমবারই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে মুম্বইয়ে। রেখে গেলেন স্ত্রী লোপা এবং দুই পুত্র রাহুল ও সাগরকে। তাঁর কন্যা কবিতার মৃত্যু হয়েছিল কয়েক বছর আগে।

কেমন ছিল তাঁর পথচলা (Bharat Kapoor)
একালে থেকে সেকালের গল্প করতে বেশ ভালো লাগে তাই না, নব্বইয়ের দশকের সেই টানটান উত্তেজনা ভরা বলিউড সিনেমাগুলোর কথা মনে পড়ে আপনাদের? যেখানে নায়ক-নায়িকার প্রেমের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়াতেন একদল দুঁদেল অভিনেতা, কখনও তিনি আদর্শবাদী পুলিশ অফিসার, কখনও কূটনীতিতে পারদর্শী আইনজীবী, আবার কখনও হাড়হিম করা খলনায়ক।
পর্দার সেই দাপটে অভিনেতা (Bharat Kapoor)
পর্দার সেই পরিচিত মুখ, অভিনেতা ভরত কাপুর সোমবার মুম্বইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। খলনায়ক হোক কিংবা নিষ্ঠাবান পুলিশ অফিসার, গত তিন দশক ধরে অসংখ্য পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে পাকাপাকি জায়গা করে নিয়েছিলেন ভরত কাপুর।

শেষ সময়ের যাত্রা(Bharat Kapoor)
সোমবার দুপুর তিনটে নাগাদ নিজের বাড়িতেই মৃত্যু হয় তাঁর। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা তো ছিলই, তবে ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, শেষ কয়েকদিন ধরে তাঁর শরীরের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হতে শুরু করেছিল। সোমবার সন্ধ্যায় মুম্বইয়ের শ্মশানেই সম্পন্ন হয়েছে তাঁর শেষকৃত্য।
অভিনয়ের হাতেখড়ি (Bharat Kapoor)
থিয়েটার থেকেই তাঁর অভিনয়ের হাতেখড়ি, সাতের দশকে হিন্দি ছবিতে হাতেখড়ি ভরতের। তাঁকে রুপোলি পর্দায় নিয়ে আসেন দেব আনন্দের ভাই চেতন আনন্দ। পরবর্তী প্রায় তিন দশক নিয়মিত নানা পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেছেন। কখনও খলনায়ক, কখনও আইনজীবী, কখনও পুলিশ অফিসার, নানা ভূমিকাতেই তিনি নিজেকে প্রমাণ করেন।

তাঁর গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো (Bharat Kapoor)
গুরুত্বপূর্ণ কাজের মধ্যে রয়েছে নুরি (১৯৭৯), রাম বলরাম (১৯৮০), লাভ স্টোরি (১৯৮১), বাজার (১৯৮২), গুলামি (১৯৮৫), আখরি রাস্তা (১৯৮৬). সত্যমেব জয়তে (১৯৮৭), স্বর্গ (১৯৯০), খুদা গাওয়া (১৯৯২), রং (১৯৯৩) প্রমুখ। পরবর্তী সময়ে বরষাত (১৯৯৫), সাজন চলে শ্বশুরাল (১৯৯৬) ছবিতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। ২০০৪ সালের ছবি মীনাক্ষ্মী: এ টেল অফ থ্রি সিটিস ছবিতেও তিনি অভিনয় করেছিলেন। যা বুঝিয়ে দেয় কত দীর্ঘ সময় তিনি কাজ করেছিলেন বলিউডে। ছায়াছবির পাশাপাশি ক্যাম্পাস, সাঁস, আমানত, তারা, চুনৌতির মতো একাধির ধারাবাহিকে কাজের সুবাদে তিনি হয়ে উঠেছিলেন টেলিভিশনেরও পরিচিত মুখ। তাঁর মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন বলিউড।
আরও পড়ুন: Minakshi Mukherjee: “আইনের শাসন রসাতলে” মীনাক্ষীর মতে ভোটেই জবাব দেবে মানুষ!
ক্রমশ সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া
তাঁর ভাগ্যে লেখা ছিল রুপোলি পর্দার জৌলুস। কিংবদন্তি দেব আনন্দের ভাই চেতন আনন্দ প্রথম তাঁর প্রতিভা আবিষ্কার করেন এবং সত্তর দশকের মাঝামাঝি হিন্দি সিনেমায় সুযোগ করে দেন। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০০৪ সালে ‘মীনাক্ষ্মী: এ টেল অফ থ্রি সিটিস’ ছবিতেও তাঁর কাজ বুঝিয়ে দিয়েছিল, অভিনয়ের খিদে তাঁর শেষ বয়স পর্যন্ত কমেনি।



