Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সকালে পতনের মাত্রা যে গতিতে বাড়ছিল সেটা বেলাশেষে কিছুটা শ্লথ হয় (Sensex and Nifty50)।
সামাল দিলেও বড় অঙ্কের পতন স্টক মার্কেটে (Sensex and Nifty50)
সপ্তাহের শুরুটা ভাল করলেও বৃহস্পতিবার দিনটা শেয়ার বাজারের জন্য ভাল ছিল না। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ডাউন ছিল মার্কেট। শেষ ক্লোজিংয়ের তুলনায় লোয়ার পয়েন্টে ওপেনিং হয়ে পরে আরও পড়তে শুরু করে দেশের দুই বেঞ্চমার্ক ইনডেক্স। সকাল সাড়ে ১০টার আগে দুই বেঞ্চমার্ক ইনডেক্স কমে ১.৫ শতাংশের বেশি। তবে বাজার বন্ধের সময় সেই পতন কিছুটা সামাল দেয় দালাল স্ট্রিট। যদিও তারপরেও দুই ইনডেক্স ডাউন রয়েছে ০.৭৫ শতাংশ। তবে সকালে যেভাবে লসের পরিমাণ বাড়ছিল তাতে আশঙ্কা ছিল আরও বেশি লসের (Sensex and Nifty50)।
বৃহস্পতিবার মার্কেট ক্লোজ হওয়ার সময় সেনসেক্স শেষ ক্লোজিংয়ের তুলনায় ০.৭৫ শতাংশ বা ৫৮৩ পয়েন্ট রয়েছে ৭৬ হাজার ৯১৩ পয়েন্টে। অন্যদিকে নিফটি৫০ শেষ ক্লোজিংয়ের তুলনায় ০.৭৪ শতাংশ বা ১৮০ পয়েন্ট কমে রয়েছে ২৩ হাজার ৯৯৭ পয়েন্টে।
তবে এই দিন নিফটি আইটি এবং ফার্মা রয়েছে পজিটিভে। কিন্তু নেগেটিভ রয়েছে বাকি সমস্ত সেক্টরাল ইনডেক্স। পয়েন্ট কমেছে স্মল এবং মিড ক্যাপ ইন্ডেক্সগুলির। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট কমেছে নিফটি-তে মেটাল, পিএসইউ ব্যাঙ্ক, রিয়েলটি, এফএমসিজি, ক্যাপিটাল মার্কেট, ফিনানশিয়াল সার্ভিসের মতো সেক্টরাল ইনডেক্সের। ডাউন রয়েছে অটো, অয়েল অ্যান্ড গ্যাস, অটো-র মতো সেক্টরাল ইনডেক্সও।
নিফটি৫০ ইনডেক্সে লিস্টেড স্টকগুলির সবথেকে বেশি শেয়ার দর কমেছে ইটারনাল, টাটা মোটরস প্যাসেঞ্জার ভেহিক্যালস, হিন্দালকো ইন্ডাস্ট্রিজ, হিন্দুস্তান ইউনিলিভার এবং টাটা স্টিলের। সান ফার্মা শেয়ার দরের বৃদ্ধি বজায় রেখেছে আর এর পাশাপাশি বেড়েছে বাজাজ অটো, বাজাজ ফিনান্স এবং টেক মাহিন্দ্রার শেয়ার দরও (Sensex and Nifty50)।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: ভোট লুটের আশঙ্কা? জীবন বাজি রেখে লড়ার বার্তা দিলেন মমতা
শেয়ার বাজারে এই পতনের পিছনে রয়েছে পশ্চিম এশিয়ার অশান্তির আঁচ, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফের মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হরমুজ প্রণালী অবরোধের। এই বক্তব্যের পর আবার অশান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে আর তারই প্রভাব পড়েছে দালাল স্ট্রিটে।
ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারির পর আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দামে আবার বৃদ্ধি হয়েছে। ফের ১২০ ডলার পার করেছে দাম। যা নতুন করে বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে। সেই সঙ্গে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে টাকার দামে পতন। মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে টাকা ৯৫-র গণ্ডি পার করেছে। এইসবের প্রভাবে দালাল স্ট্রিট বেহাল। বিদেশি লগ্নির ভারত ত্যাগ যেন দস্তুর হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই সবের মিলিত প্রভাবে স্টক মার্কেটে এই নেতিবাচক প্রভাব (Sensex and Nifty50)।


