Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারত সম্প্রতি জননিরাপত্তা প্রযুক্তিতে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশজুড়ে প্রথমবারের মতো ‘সেল ব্রডকাস্ট অ্যালার্ট সিস্টেম’ (CBAS)-এর ব্যাপক পরীক্ষা চালানো হয়েছে(Cell Broadcast)। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (NDMA) ও টেলিকম দফতরের উদ্যোগে এই ব্যবস্থা তৈরি, যা জরুরি পরিস্থিতিতে নাগরিকদের কাছে দ্রুত সতর্কবার্তা পৌঁছে দিতে সক্ষম।
এক্সট্রিমলি সিভিয়ার অ্যালার্ট (Cell Broadcast)
শনিবার দুপুরের আগে হঠাৎই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোবাইল ফোনে জোরালো শব্দ ও কম্পনের সঙ্গে ‘এক্সট্রিমলি সিভিয়ার অ্যালার্ট’ শিরোনামে একটি বার্তা ভেসে ওঠে। এতে জানানো হয়, এটি একটি পরীক্ষামূলক বার্তা এবং কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। ইংরেজির পাশাপাশি হিন্দি ও আঞ্চলিক ভাষাতেও বার্তাটি প্রদর্শিত হয়।
মোবাইল টাওয়ার থেকে বার্তা
এই প্রযুক্তি এসএমএসের মত নয়। সেল ব্রডকাস্ট ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট এলাকার মোবাইল টাওয়ার থেকে একযোগে অসংখ্য ব্যবহারকারীর কাছে বার্তা পৌঁছে যায়। ফলে নেটওয়ার্কে চাপ পড়লেও বার্তা পৌঁছাতে দেরি হয় না। অতীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে এসএমএস পৌঁছাতে ১৫-৩০ মিনিট পর্যন্ত দেরি হতো, যা এই ব্যবস্থায় প্রায় শূন্যে নেমে আসবে।
বিদেশি নির্ভরতা কমে
CBAS ‘সচেত’ (SACHET) নামের একটি যৌথ সতর্কীকরণ প্ল্যাটফর্মের অংশ, যা সি-ডট দ্বারা তৈরি। এটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি হওয়ায় বিদেশি নির্ভরতা কমে এবং স্থানীয় ভাষা ও প্রয়োজন অনুযায়ী বার্তা পাঠানো সম্ভব হয়।
বিভিন্ন বিপর্যয়ে ব্যবহার (Cell Broadcast)
এই ব্যবস্থা ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, বজ্রপাতের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি গ্যাস লিক বা রাসায়নিক দুর্ঘটনার মতো মানবসৃষ্ট বিপর্যয়েও ব্যবহার করা যাবে।
আরও পড়ুন: Nicobar Project: গ্রেট নিকোবরে প্রকল্প: পরিবেশের বিপর্যয় নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে
সতর্কীকরণ ব্যবস্থা চালু (Cell Broadcast)
বিশ্বের আমেরিকা, জাপানসহ অনেক দেশেই এই ধরনের সতর্কীকরণ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। ভারতে এই উদ্যোগ দুর্যোগ মোকাবিলায় বড় পরিবর্তন আনবে বলে মনে করা হচ্ছে। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ব্যবহারকারীরা এমন বার্তা পেতে পারেন। সরকার জানিয়েছে, এগুলো উপেক্ষা করলেই চলবে।



