Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কানাডার গোয়েন্দা সংস্থা CSIS-এর বিদেশি হস্তক্ষেপ সংক্রান্ত অভিযোগকে কড়াভাবে খারিজ করল ভারত(Indo Canada)। নয়াদিল্লি এই অভিযোগকে “ভিত্তিহীন” বলে উল্লেখ করেছে এবং একই সঙ্গে কানাডার মাটিতে সক্রিয় খালিস্তানি জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
কানাডার অভিযোগ অস্বীকার (Indo Canada)
সাপ্তাহিক সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ, যা আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চলে এবং অন্য দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে। অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা ভারতের নীতি নয়।”
কূটনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাধান
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের বিষয় “রাজনৈতিক বা প্রকাশ্য প্রচারের” মাধ্যমে নয়, বরং “প্রতিষ্ঠিত কূটনৈতিক ব্যবস্থার” মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। CSIS-এর রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে জয়সওয়াল জানান, ওই রিপোর্টেই স্বীকার করা হয়েছে যে কানাডায় কিছু গোষ্ঠী ভারতের বিরুদ্ধে সহিংসতা উসকে দিতে কানাডার ভূখণ্ড ব্যবহার করছে।
উগ্রপন্থী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল
তার কথায়, “আমরা বহুবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছি যে কানাডার মাটি উগ্রপন্থী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠছে। CSIS-ও স্বীকার করেছে যে খালিস্তানপন্থী গোষ্ঠীগুলি শুধু ভারতের জন্য নয়, কানাডার জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকি।” বিদেশ মন্ত্রকের দাবি, এই সংগঠনগুলি গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা ও প্রতিষ্ঠানের অপব্যবহার করে উগ্রপন্থা ছড়াচ্ছে এবং সন্ত্রাসের কার্যকলাপের জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে।
কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান (Indo Canada)
ভারত আরও অভিযোগ করেছে যে কানাডায় ভারতবিরোধী কার্যকলাপ, কূটনীতিকদের হুমকি, উপাসনাস্থলে ভাঙচুর এবং তথাকথিত গণভোটের মাধ্যমে বিচ্ছিন্নতাবাদ প্রচারের ঘটনা বাড়ছে। নয়াদিল্লি বারবার কানাডা সরকারকে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
আরও পড়ুন: Indo Bangladesh: বিজেপির বঙ্গ জয়ের পর ‘পুশ-ইন’ ইস্যুতে বাংলাদেশকে বার্তা ভারতের
ভারত-কানাডা টানাপোড়েন অব্যাহত (Indo Canada)
বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ এবং খালিস্তানি সংগঠনগুলির কার্যকলাপকে ঘিরে গত কয়েক মাস ধরে ভারত-কানাডা সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে।



