Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর সীমান্তে “পুশ-ইন” বা জোর করে মানুষ ঠেলে পাঠানোর ঘটনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল বাংলাদেশ। এই আবহে বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (MEA) জানায়, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় ঢাকার সহযোগিতা প্রয়োজন, আর সেই প্রেক্ষিতেই বাংলাদেশি মন্তব্যগুলোকে দেখা উচিত(Indo Bangladesh)।
‘বাংলাদেশের সহযোগিতা জরুরি’(Indo Bangladesh)
সাপ্তাহিক সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “গত কয়েক দিনে এ ধরনের মন্তব্য আমরা দেখেছি। এগুলোকে অবৈধ বাংলাদেশিদের ভারত থেকে প্রত্যর্পণের মূল ইস্যুর সঙ্গে যুক্ত করেই দেখতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
নাগরিকত্ব যাচাইয়ের অনুরোধ ঝুলে
তিনি জানান, বাংলাদেশ সরকারের কাছে এখনও ২,৮৬০টিরও বেশি নাগরিকত্ব যাচাইয়ের অনুরোধ ঝুলে রয়েছে। বহু ক্ষেত্রে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে অনুমোদন মেলেনি। জয়সওয়াল বলেন, “আমরা আশা করছি বাংলাদেশ দ্রুত নাগরিকত্ব যাচাই সম্পন্ন করবে, যাতে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া মসৃণভাবে এগোতে পারে।”
পুশ-ইন-এ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান সতর্ক করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তনের পরে যদি কোনও “পুশ-ইন” ঘটনা ঘটে, তাহলে ঢাকা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তাঁর এই মন্তব্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)-এর সরকারি ফেসবুক পেজেও প্রকাশ করা হয়।
আদালতেও একাধিক অভিযোগ (Indo Bangladesh)
“পুশ-ইন” বা “পুশব্যাক” বলতে সাধারণত সীমান্তে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা সেই অভিযোগকে বোঝায়, যেখানে সন্দেহভাজন বাংলাদেশি নাগরিকদের জোর করে সীমান্ত পেরিয়ে পাঠানো হয়। অতীতে এ নিয়ে আদালতেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে।
আরও পড়ুন: TN Vijay: ফল ঘোষণার ৭২ ঘণ্টা পেরিয়েও তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নাটকীয় অচলাবস্থা, সমস্যা বিজয়
সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন বলে দাবি (Indo Bangladesh)
বাংলাদেশ বরাবরই এই ধরনের ঘটনাকে তাদের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে। সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’-র প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারত থেকে ২,৪৭৯ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ১২০ জনকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB)।


