Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রিমোট ওয়ার্ক এবং “ওয়ার্ক ফ্রম এনিহোয়্যার” সংস্কৃতি জনপ্রিয় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন দেশ এখন ডিজিটাল নোম্যাড ও ফ্রিল্যান্সারদের আকর্ষণ করতে নতুন ভিসা চালু করছে। সেই তালিকায় এবার যোগ দিল থাইল্যান্ড। দেশটি চালু করেছে Destination Thailand Visa (DTV) নামে নতুন দীর্ঘমেয়াদি ভিসা(DTV Scheme)।
পাঁচ বছরের মাল্টিপল-এন্ট্রি (DTV Scheme)
এই ভিসার মাধ্যমে বিদেশিরা, ভারতীয় নাগরিকরাও, পাঁচ বছরের মাল্টিপল-এন্ট্রি সুবিধাসহ থাইল্যান্ডে দীর্ঘ সময় থাকতে পারবেন। মূল লক্ষ্য হল রিমোট কর্মী, ফ্রিল্যান্সার, স্বনিযুক্ত পেশাজীবী এবং সাংস্কৃতিক বা ওয়েলনেস প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারীদের আকর্ষণ করা।
সর্বোচ্চ ১৮০ দিন থাকতে পারবেন
DTV ভিসাধারীরা প্রতি বার থাইল্যান্ডে গিয়ে সর্বোচ্চ ১৮০ দিন থাকতে পারবেন। চাইলে সেই মেয়াদ আরও ১৮০ দিন বাড়ানো যাবে। পাঁচ বছরের মেয়াদে একাধিক বার দেশটিতে প্রবেশ ও বের হওয়ার সুবিধাও থাকবে। তবে এই ভিসায় থাই সংস্থায় কাজ করার অনুমতি নেই। কেউ থাইল্যান্ডের কোনও প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে চাইলে আলাদা ওয়ার্ক পারমিট প্রয়োজন হবে।
সফট পাওয়ার কৌশলের অংশ
শুধু রিমোট ওয়ার্কার নয়, থাইল্যান্ড এই ভিসাকে তাদের “সফট পাওয়ার” কৌশলের অংশ হিসেবেও ব্যবহার করছে। মুয়াই থাই প্রশিক্ষণ, থাই রান্নার কোর্স, ওয়েলনেস রিট্রিট ও সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণেও অংশ নেওয়া যাবে এই ভিসায়।
প্রয়োজন একাধিক প্রমাণ (DTV Scheme)
ভারতীয় আবেদনকারীদের সাধারণত অন্তত ৫ লক্ষ থাই ভাট, অর্থাৎ প্রায় ১৪-১৫ লক্ষ টাকার আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দেখাতে হবে। পাশাপাশি রিমোট চাকরি বা ফ্রিল্যান্স কাজের নথি, থাকার তথ্য, স্বাস্থ্যবিমা এবং সংশ্লিষ্ট কোর্সের কাগজপত্রও চাওয়া হতে পারে। ভিসার ফি আনুমানিক ২৫ হাজার টাকা হতে পারে। আবেদন করা যাবে থাইল্যান্ডের অনলাইন ভিসা পোর্টাল বা অনুমোদিত ভিসা সেন্টারের মাধ্যমে।
সহজ ও বৈধ সুবিধা (DTV Scheme)
কম খরচে জীবনযাপন, ভালো ইন্টারনেট ও জনপ্রিয় ডিজিটাল নোম্যাড কমিউনিটির কারণে থাইল্যান্ড আগেই ভারতীয়দের কাছে জনপ্রিয় ছিল। নতুন DTV ভিসা সেই দীর্ঘমেয়াদি থাকার সুযোগকেই আরও সহজ ও বৈধ করে তুলল।



