Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নারীদের মধ্যে খুব পরিচিত একটি হরমোনজনিত সমস্যা PCOS (Polycystic Ovary Syndrome)। অনিয়মিত মাসিক, ব্রণ, অতিরিক্ত লোম গজানো, ওজন বৃদ্ধি, বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি এসব সমস্যার সঙ্গে বহুদিন ধরেই জড়িয়ে ছিল এই নাম। তবে এবার আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা এই রোগের নাম বদলে দিলেন। নতুন নাম হলো PMOS Polyendocrine Metabolic Ovarian Syndrome।(PCOS Name Change)
কেন বদলানো হলো নাম? (PCOS Name Change)
বিশেষজ্ঞদের মতে, “PCOS” নামটি রোগের প্রকৃত স্বরূপ বোঝাতে ব্যর্থ হচ্ছিল। “Polycystic” শব্দটি শুনে অনেকেই মনে করেন ডিম্বাশয়ে একাধিক সিস্ট তৈরি হয়। কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা সিস্ট নয়, বরং অপরিণত ফলিকল বা ডিম্বাণু।
এছাড়া এই রোগ শুধু ডিম্বাশয়ের সমস্যা নয়। এটি শরীরের একাধিক হরমোন, বিপাকক্রিয়া (metabolism), ওজন, ত্বক, মানসিক স্বাস্থ্য এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকির সঙ্গেও জড়িত। তাই নতুন নামের মাধ্যমে রোগটির বিস্তৃত প্রভাব তুলে ধরতে চেয়েছেন গবেষকরা।
কী কী সমস্যা হতে পারে?
PMOS থাকলে অনিয়মিত মাসিক, বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি, অতিরিক্ত শরীরের লোম, ব্রণ, ওজন বৃদ্ধি ছাড়াও টাইপ-২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি ও হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
কীভাবে নির্ণয় হবে? (PCOS Name Change)
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, তিনটি লক্ষণের মধ্যে অন্তত দু’টি থাকলে PMOS ধরা হবে
অতিরিক্ত অ্যান্ড্রোজেন হরমোন
অনিয়মিত মাসিক
রক্তে উচ্চ AMH বা আল্ট্রাসাউন্ডে বহু অপরিণত ফলিকল
আরও পড়ুন: Chingrihata Metro: অবশেষে জট মুক্তি, ১৫ মে দু’দফায় চিংড়িহাটায় মেট্রোর কাজ শুরু
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই পরিবর্তন? (PCOS Name Change)
বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন নাম রোগ নিয়ে সচেতনতা বাড়াবে, চিকিৎসা ও গবেষণায় নতুন দিশা দেবে এবং শুধুমাত্র “ফার্টিলিটি সমস্যা” হিসেবে দেখার প্রবণতা কমাবে। এর ফলে রোগীরা আরও দ্রুত ও সঠিক চিকিৎসা পেতে পারেন।



