Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অমিত কুমার সরকার: পূর্ব আক্রোশের জেরে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য সহ (BJP Worker Attacked) একাধিক ব্যক্তিকে ঘিরে ধরে লোহার রড, পাইপ এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর ও প্রাণনাশের চেষ্টায় চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল শান্তিপুরে।
দায়ের লিখিত অভিযোগ (BJP Worker Attacked)
ঘটনাটি ঘটেছে শান্তিপুর থানার অন্তর্গত (BJP Worker Attacked) ফুলিয়া বেলগরিয়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের শিবতলা পাড়া এলাকায় । আক্রান্ত বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের নাম সরজিৎ বিশ্বাস। এই নৃশংস হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই শান্তিপুর থানায় তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ঠিক কী হয়েছিল? (BJP Worker Attacked)
আক্রান্ত পঞ্চায়েত সদস্য সরজিৎ বিশ্বাস (BJP Worker Attacked) জানান, আজ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা নাগাদ শিবতলা পাড়া মোড়ের মাথায় একা পেয়ে আচমকাই ঘিরে ধরে তিন যুবক। তাদের নাম জানা গেছে, প্রবীর রায়, সুদীপ শিকদার এবং অভিজিৎ সরকার। অভিযোগ, পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক তারা লোহার রড, লোহার পাইপ, ধারালো ছুরি এবং কাঁচের বোতল নিয়ে সরজিতের উপর চড়াও হয়।
খুন করার উদ্দেশ্য? (BJP Worker Attacked)
অভিযোগ উঠেছে যে, তাকে খুন করার উদ্দেশ্যে (BJP Worker Attacked) লোহার পাইপ দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে। এখানেই শেষ নয়, অভিযুক্ত প্রবীর রায় একটি ভাঙা কাঁচের বোতল সরজিতের পেটে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেছেন ঐ পঞ্চায়েত সদস্য। এই ঘটনায় তার চিৎকার শুনে সরজিত বাবুর বন্ধু বাঁচাতে এলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
গুলি করার হুমকি!
সরজিতের চিৎকার শুনে তার বন্ধু শুভঙ্কর মুখার্জী তাকে বাঁচাতে ছুটে এলে, অভিযুক্তরা তার উপরও চড়াও হয়। শুভঙ্করের জামা ছিঁড়ে দিয়ে তাকে লোহার রড ও পাইপ দিয়ে নৃশংসভাবে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসলে , অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা সরজিৎকে গুলি করে খুন করার হুমকিও দিয়ে যায় বলেও অভিযোগ।
আশঙ্কাজনক ও গুরুতর আহত অবস্থায় সরজিৎ বিশ্বাসকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বর্তমানে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে আক্রান্ত পঞ্চায়েত সদস্য। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দোষীদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়ে শান্তিপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছেন আক্রান্ত পঞ্চায়েত সদস্য সরজিত বিশ্বাস। যদিও লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শান্তিপুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে দুষ্কৃতীরা তৃণমূল আশ্রিত বলে দাবি করেছেন বিজেপির ওই পঞ্চায়েত সদস্য। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক স্বপন কুমার দাসকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।


