Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পহেলগাম সন্ত্রাসী হামলার এক বছরেরও বেশি সময় পরেও তদন্ত চলছে। ২৬ জনের প্রাণ কেড়ে নেওয়া এই হামলার জেরে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করেছিল। এবার তদন্তে উঠে এসেছে পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন এক যোগসূত্র(Pahalgam Pak)।
হামলাকারীদের ফোনে মিলল নতুন সূত্র (Pahalgam Pak)
ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) জানিয়েছে, হামলাকারীরা দুটি মোবাইল ব্যবহার করেছিল। এই ফোন দুটি তিন জঙ্গির দেহ থেকে উদ্ধার করা হয়, যাদের ২০২৫ সালের জুলাইয়ে জম্মু-কাশ্মীরের দাচিগাম অরণ্যে নিরাপত্তাবাহিনী হত্যা করে।
ফয়সাল ব্যাংকের সঙ্গে কী যোগ?
তদন্তে জানা গেছে, একটি ফোনে ২০২১ সালে পাকিস্তানের Tech Sirat Pvt Ltd-এর আমদানি করা একটি চালানের অংশ ছিল। কিন্তু চালানের নথিতে ডেলিভারি ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ ছিল করাচির ফয়সাল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়।
এনআইএ কর্মকর্তাদের মতে, ব্যাংকটি সম্ভবত চালানের অর্থায়ন করেছিল। তদন্তকারীদের সন্দেহ, ওই চালান থেকেই ফোনটি সরিয়ে লস্কর-ই-তইবার হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, ২০২১ সালে আমদানির পর ফোনটি কখনও চালু হয়নি, সরাসরি হামলার সময় ব্যবহার করা হয়।
কী এই ফয়সাল ব্যাংক?
১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ফয়সাল ব্যাংক পাকিস্তানের অন্যতম বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এটি প্রথমে বাহরিনের ফয়সাল ইসলামিক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে পাকিস্তানের ৩৬০টিরও বেশি শহরে এর শাখা রয়েছে।
আগে থেকেও ছিল বিতর্ক (Pahalgam Pak)
৯/১১ হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে জমা পড়া নথিতে ফয়সাল ব্যাংকের নাম উঠে এসেছিল। অভিযোগ ছিল, লস্কর-ই-তইবা (LeT) এবং আল-কায়েদা-ঘনিষ্ঠ কিছু সংগঠন এই ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করত।
আরও পড়ুন: Summer Weather Forecast: দক্ষিণে বাড়বে গরম, দেখা দেবে না বৃষ্টি!
এনআইএর তদন্তে আর কী জানা গেল? (Pahalgam Pak)
চার্জশিটে বলা হয়েছে, পাকিস্তানভিত্তিক লস্কর-ই-তইবা ও তার সহযোগী সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF) হামলার ছক কষেছিল। পাকিস্তান থেকে পরিচালিত টেলিগ্রাম চ্যানেল, ফোন নম্বর, আইপি অ্যাড্রেস এবং অস্ত্র সরবরাহের তথ্যও তদন্তে সামনে এসেছে। এনআইএ জানিয়েছে, পূর্ণ ষড়যন্ত্রের রহস্য তুলে ধরতে তদন্ত এখনও চলছে।



