Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অনন্যা দে: ডায়মন্ড হারবারের আমতলায় (Abhisheks Office Demolished) তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে চলল বুলডোজার। শনিবার সকালে বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আমতলার ওই ৫ তলা ভবনে অভিযানে নামে প্রশাসন। ভেঙে ফেলা হয় কার্যালয়ের সামনের শেড ও দেওয়াল। প্রশাসনের দাবি, কোনও অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান ছাড়াই বেআইনিভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল এই বহুতলটি।
শেড ভাঙল বুলডোজার (Abhisheks Office Demolished)
ডায়মন্ড হারবারের আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhisheks Office Demolished) কার্যালয়ের শেড ভাঙল বুলডোজার। ভাঙা হল পাঁচ তলা ভবনের দেওয়াল। শনিবার সকালে সেখানে অভিযানে নামে পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী। সঙ্গে ছিলেন দমকলের আধিকারিক, বিডিও এবং বিএলআরও। অভিযোগ, পাঁচতলা ওই ভবনটি অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই অভিযোগের ভিত্তিতে আগেই সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। তবে নির্ধারিত শুনানিতে কেউ উপস্থিত না হওয়ায় প্রশাসন পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
শনিবার সকালে অভিষেকের কার্যালয় ঘিরে ফেলে বিশাল পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেখানে উপস্থিত হন বিডিও এবং বিএলআরও-সহ প্রশাসন ও দমকলের আধিকারিক। গার্ডরেলে ঘিরে ফেলা হয় গোটা এলাকা। বেলা বাড়তেই সেখানে এন্ট্রি নেয় ৩টি বুলডোজার। সেটির সাহায্যে কার্যালয়ের সামনে থাকা নীল রঙের শেডটি ভেঙে ফেলা হয়। ভবনের সামনে শেড ভাঙার পরে ক্রমে ভেঙে দেওয়া হয় সামনের দেওয়াল। সেখানে ততক্ষণে জড়ো হয়েছেন এলাকাবাসীদের অনেকেই। কেউ কেউ ভবনের ভিতরেও ঢুকে পড়েন। তাঁদের ভবনের ভিতর থেকে বার করে দেয় পুলিশ।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সাত দিনের ব্যবধানে ওই কার্যালয়ে পরপর দু’টি নোটিস দিয়ে যান প্রশাসনিক আধিকারিকরা। ৩০ জুন এবং ৭ জুলাই অভিষেকের কার্যালয়ে নোটিস দেওয়া হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসনের তরফে। তবে নির্ধারিত শুনানিতে কেউ উপস্থিত না হওয়ায় প্রশাসন পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে হাই কোর্ট – সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিষেকের কার্যালয় প্রসঙ্গে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান – ”অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো ভারতবর্ষের (Abhisheks Office Demolished) আইনের ঊর্ধ্বে নন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যদি কোনো বিল্ডিং বা কোনো পার্টি অফিস বা কোনো কনস্ট্রাকশন করেছেন যেটা বেআইনি সেখানে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা সময় দিয়েছি, ওনার বাড়িতেও কিছু এক্সটেনশন করা হয়েছে সেটাও আমরা সুযোগ দিয়েছি। তারপর যদি সেটাকে ঠিক না করা হয় বা যেটা আমরা দেখি একেবারেই বেআইনি, সেখানে তো আমরা ডেমোলিশ করবই। অনেক বিল্ডিং আছে যেগুলো আমরা নোটিস পাঠাচ্ছি এবং আমরা ডেমোলিশ করব। আর ইলিগ্যাল বিল্ডিং, গার্ডেনরিচের মতো ঘটনা আমরা ঘটতে দেবো না।”
আরও পড়ুন: TMC 21 July: একুশের শহিদ দিবসের আবেগ কার দখলে? মমতার মঞ্চেই শহিদ পরিবারেরা!
জানা গিয়েছে, সাত দিনের ব্যবধানে ওই কার্যালয়ে পরপর দু’টি নোটিস দিয়ে যান প্রশাসনিক আধিকারিকরা। ৩০ জুন তাঁর কার্যালয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসনের তরফে। ১৫ জুলাই তাঁকে জেলা প্রশাসনের দপ্তরে তলব করা হয়েছিল। ৭ জুলাই আরও একটি নোটিস পড়ে আমতলার কার্যালয়ে। কিন্তু নোটিসের জবাবে কোনও সাড়া দেননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই শনিবার সকাল অ্যাকশন মোডে দেখা গেল প্রশাসনকে ।


