Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৫ সালের পহেলগাম হামলার তদন্তে নতুন দিক উন্মোচন করেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। সংস্থাটি এখন তথাকথিত “হামাস অ্যাঙ্গেল” খতিয়ে দেখছে। তদন্তকারীদের ধারণা, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর কিছু কৌশল পশ্চিম এশিয়ার হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার ধরণ থেকে অনুপ্রাণিত হতে পারে(Pahalgam Attack)।
২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র বৈশরণ উপত্যকায় সংঘটিত হামলায় ২৬ জন নিহত হন, যাঁদের অধিকাংশই ছিলেন পর্যটক। গত প্রায় দুই দশকে জম্মু-কাশ্মীরে অসামরিক মানুষের ওপর এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা বলে মনে করা হচ্ছে।
হামলার ধরণ আলাদা (Pahalgam Attack)
এনআইএ সূত্রের দাবি, হামলার ধরণ প্রচলিত কাশ্মীরি জঙ্গি কার্যকলাপের তুলনায় আলাদা ছিল। তদন্তে উঠে এসেছে, হামলাকারীরা ভুক্তভোগীদের ধর্মীয় পরিচয় যাচাইয়ের চেষ্টা করে এবং পরে খুব কাছ থেকে গুলি চালায়। এছাড়া হামলার ভিডিও ধারণের জন্য অ্যাকশন ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছিল।
তদন্তে উদ্ধার হওয়া একটি GoPro Hero 12 Black ক্যামেরার ডিজিটাল তথ্যও অনুসরণ করেছে এনআইএ। সংস্থার দাবি, ক্যামেরাটি ইউরোপে তৈরি হয়েছিল, পরে চিনের একটি অনুমোদিত পরিবেশকের কাছে পাঠানো হয় এবং সেখান থেকে বিভিন্ন পর্যায় পেরিয়ে জঙ্গিদের হাতে পৌঁছায়।
এই তথ্যের ভিত্তিতে এনআইএ খতিয়ে দেখছে, স্থানীয় উগ্রপন্থীরা কি কোনও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডিজিটাল নির্দেশিকা, এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থা বা অর্থায়নের সহায়তা পেয়েছিল কি না।
একইসঙ্গে পাহালগাম হামলাকে বৃহত্তর “ডি-৬” জঙ্গি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এই চক্রান্তের লক্ষ্য ছিল ভারতের বিভিন্ন শহরে গাড়িবোমা, ড্রোন এবং রকেট হামলা চালানো(Pahalgam Attack)।
আরও পড়ুন: Illegal Arms Recovery: মুঙ্গের থেকে আনা অস্ত্রের যোগ? উদ্ধার ৮ আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল ব্রাউন সুগার
এদিকে অপারেশন মহাদেবে হামলার সঙ্গে যুক্ত তিন বিদেশি জঙ্গি সুলেমান, হামজা আফগানি ও জিবরান নিহত হলেও এনআইএ এখন পাকিস্তানে অবস্থানকারী মূল পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছে। পাশাপাশি ভারতের অভ্যন্তরে সক্রিয় ওভার-গ্রাউন্ড ওয়ার্কার (ওজিডব্লিউ) নেটওয়ার্ক এবং প্রযুক্তিগত সহায়তাকারীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে(Pahalgam Attack)।



