Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: CBSE (সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন) Class 12 পরীক্ষার নম্বর যাচাই ও পুনর্মূল্যায়নের পোর্টাল ফের চালু করেছে(CBSE Evaluation)। সার্ভার সমস্যার কারণে ১ জুন নির্ধারিত সময়সীমা মিস হওয়ায় বহু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। মঙ্গলবার সকালে বোর্ড তাদের সরকারি X অ্যাকাউন্টে পোর্টাল পুনরায় সচল হওয়ার ঘোষণা করে।
গত সপ্তাহান্তে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী একসঙ্গে লগইন করার চেষ্টা করায় সার্ভার ক্র্যাশ করে এবং পোর্টাল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ফলাফলে অসন্তুষ্ট হাজার হাজার শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারেননি।
পুনর্মূল্যায়নের ধাপ (CBSE Evaluation)
CBSE জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ধাপগুলো ক্রমানুসারে অনুসরণ করতে হবে। কোনো ধাপ এড়িয়ে গেলে বা নির্ধারিত সময়সীমা মিস করলে পরবর্তী পর্যায়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না।
নম্বর যাচাইয়ের জন্য আবেদন (CBSE Evaluation)
শিক্ষার্থীদের প্রথমে CBSE-এর সরকারি ওয়েবসাইট cbse.gov.in-এ গিয়ে Pariksha Sangam পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয়ের জন্য আবেদনপত্র পূরণ করে ফি জমা দিতে হবে।
নম্বর যাচাইয়ের ফি: প্রতি বিষয়ে ৫০০ টাকা
পুনর্মূল্যায়নের ফি: প্রতি প্রশ্নে ১০০ টাকা
এই পর্যায়ে পরীক্ষকরা মূলত নম্বর যোগে ভুল, মূল্যায়ন না হওয়া উত্তর, অথবা খাতা স্ক্যানিং সংক্রান্ত ত্রুটি আছে কি না তা পরীক্ষা করবেন।
বোর্ড আরও জানিয়েছে, পুনর্মূল্যায়নের ফলে নম্বর কমে গেলে সেই কম নম্বরই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। সেক্ষেত্রে পুরনো মার্কশিট বাতিল হয়ে যাবে এবং নতুন মার্কশিট পাওয়ার আগে পুরনো কপিটি জমা দিতে হবে।
কেন তৈরি হয়েছিল বিতর্ক? (CBSE Evaluation)
এ বছর প্রথমবারের মতো CBSE প্রায় ৯৮ লাখ উত্তরপত্র মূল্যায়নে On-Screen Marking (OSM) পদ্ধতি ব্যবহার করে। ফল প্রকাশের পর বহু শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, স্ক্যান করা খাতায় ঝাপসা ছবি, ফাঁকা পৃষ্ঠা কিংবা মূল্যায়নবিহীন উত্তর দেখা গেছে।
এদিকে, পুনর্মূল্যায়ন ফি জমার সময় ব্যবহৃত তৃতীয় পক্ষের পেমেন্ট গেটওয়েতেও প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। কিছু ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক ফি প্রদর্শিত হওয়ায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়(CBSE Evaluation)।
আরও পড়ুন: New Immigration Rule: ভারতে বিদেশিদের জন্য নতুন অভিবাসন বিধি, কতটা কড়া হল আইন?
পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রযুক্তিগত ত্রুটির দায় স্বীকার করেন এবং বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় সিস্টেম উন্নত করার পর পোর্টাল পুনরায় চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়।



