Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল:ডুয়ার্স সফরে এসে গরুমারা জাতীয় উদ্যান ও চাপরামারি অরণ্যের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বন্যপ্রাণী উপভোগ করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ(Gorumara Dilip)।
ডুয়ার্স সফরে দিলীপ ঘোষ (Gorumara Dilip)
শুক্রবার সকালে সস্ত্রীক জঙ্গল ভ্রমণে বেরিয়ে পড়েন তিনি। তাঁর এই সফরকে ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং বনদফতরের আধিকারিকদের মধ্যেও উৎসাহের পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।

চাপরামারি বন বাংলোয় রাত্রিযাপন
জানা গিয়েছে, ডুয়ার্স সফরে এসে চাপরামারি বন বাংলোতে রাত্রিযাপন করেন মন্ত্রী। শুক্রবার ভোরে তাঁকে জঙ্গলের রাস্তা ধরে প্রাতঃভ্রমণ করতে দেখা যায়। এরপর স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে বসে চায়ের আড্ডায়ও অংশ নেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথাবার্তাও বলতে দেখা যায় তাঁকে।
হাতির পিঠে জঙ্গল সাফারি
সেখান থেকে তিনি যান গরুমারা জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন গাছবাড়ি এলাকায়। সেখানে বনদপ্তরের পোষ্য কুনকি হাতির পিঠে চড়ে জঙ্গল সাফারিতে অংশ নেন দিলীপ ঘোষ ও তাঁর স্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন নাগরাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক পুণা ভেঙরা।
হাতিদের সঙ্গে পোজ
হাতির পিঠে জঙ্গলের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন তাঁরা এবং বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক আবাসস্থলের পরিবেশ উপভোগ করেন। সফরের সময় হাতিদের সঙ্গে ছবি তুলতেও দেখা যায় মন্ত্রীকে। শুধু তাই নয়, হাতিদের কলা খাইয়ে তাদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন তিনি। বনদফতরের পক্ষ থেকে হাতিদের আনুষ্ঠানিক পূজার ব্যবস্থাও করা হয়।

জোরদার নিরাপত্তা (Gorumara Dilip)
এই সময় উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি বন বিভাগের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে-সহ বনদফতরের অন্যান্য আধিকারিকরা। মন্ত্রীর সফর ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: Sisamara River View Forest Villa: শহরের কোলাহল ছেড়ে প্রকৃতির কোলে হারিয়ে যেতে চান?
উচ্ছ্বসিত ও মুগ্ধ মন্ত্রী (Gorumara Dilip)
ডুয়ার্সের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী, অরণ্য এবং বন্যপ্রাণীর কাছাকাছি এসে সময় কাটিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত ও মুগ্ধ দেখা যায় দিলীপ ঘোষকে। সূত্রের খবর, ডুয়ার্স সফর শেষে তাঁর শিলিগুড়িতে একাধিক সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। পরে তিনি পাহাড়েও রাত্রিযাপন করবেন বলে জানা গিয়েছে। ডুয়ার্সের প্রকৃতি ও বনজ সম্পদের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়াতে এবং পর্যটনের প্রসারে এই ধরনের সফর ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছেন বনদফতরের আধিকারিকরা।



