Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মাত্র ২৪ বছর বয়স (Janatar Darbar) । নাম ডক্টর অমর্ত্য ঘোষাল। ছেলেকে নিয়ে কত স্বপ্ন মা বাবার। সেই চিকিৎসক ছেলের হঠাৎ রহস্য মৃত্যু। তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে মা বাবা। আরজি কর কাণ্ডের মাত্র দুমাস আগে ছেলের রহস্যজনক মৃত্যু। হাসপাতালের ক্যাম্পাসের বাইরে ছেলের মৃত্যু। ঘটনায় সন্দীপ রায় বলে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও সন্দীপ মদ্যপ ছিল বলে অভিযোগ বাবার।
জনতার দরবারে পরিবার (Janatar Darbar)
পরিবারের তরফে জানানো হয়, হাইকোর্টের দারস্থ (Janatar Darbar) হয়েছিল পরিবার। কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম সেই সময় পুলিশের তদন্ত নিয়ে অত্যন্ত অখুশি ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মন দিয়ে সব কথা শুনেছেন। তিনি বিশেষ তদন্তকারী দল বা এস টি এফ গঠনের কথা বলেছেন।
কী জানালেন বাবা? (Janatar Darbar)
মৃত ডাক্তারের বাবা বিবেক ঘোষাল জানিয়েছেন, “মুখ্যমন্ত্রী অনেক প্রশ্ন করলেন, আমরা যতটা পেরেছি ততটা উত্তর দিয়েছি। আমাদের পরবর্তীকালে এগোবার জন্য অনেক উপদেশ দিলেন। বললেন যে ‘আপনার ছেলের মৃত্যুর জন্য আমরা খুবই দুঃখিত’। আলাদাভাবে তদন্ত করার কথাও বলেছেন। স্পেশাল পুলিশ অফিসার বা স্পেশাল টাস্ক ফোর্সকে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।”
পুলিশি অসহযোগিতার কথা উঠতে (Janatar Darbar) তিনি বলেন, এই সম্পর্কে তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন তখন সিস্টেমটা ওরকম ভাবেই চলত। এখন আর সেটা হবে না। এখন অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে, “আমাদের ওপর ভরসা রাখুন”। আমি ওনার কথায় খুবই খুশি এবং অভিজ্ঞতা ভালো আমার, ভরসা পাচ্ছি। মুখ্যমন্ত্রী প্রচন্ড মানবিক এবং সিনসিয়ার।
মায়ের মুখেও একই কথা
ডাক্তারের মা স্নিগ্ধা ঘোষাল বলেন, “ছেলে হাসপাতালে চাকরি করতে যাচ্ছিল, যাবার পথে তাকে মেরে ফেলা হয়েছিল। আমরা কোপেসেঞ্জারকেই সাসপেক্ট করছি। বর্ধমান তো মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা। এটা কারোর একার কাজ হতে পারেনা। এটা অনেকেরই কাজ। ঘটনাটি এমন জায়গায় ঘটেছিল যেখানে কোন কিছু সিসিটিভি কভারেজ নেই। এটা আরজিকর কাণ্ডের সঙ্গে সদৃশ। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন কেসটা রি ওপেন করবেন।”
তার সঙ্গে মৃত ডাক্তারের মা অভিযোগ করেছেন, তাদের ছেলেকে যে মেরে ফেলা হয়েছে, তার পেছনে শাসকদলের ঘনিষ্ঠ কারোর হাত ছিল। রাজনৈতিকভাবে মদতপুষ্ট ছিল এই খুন। আব্দুল রব বলে একজন ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
১০ জুন ২০২৪ সালে ঘটেছিল এই ঘটনা। মৃত ডাক্তারের মা-বাবা এখনও সুবিচারের আশায়। এখন দেখার পরবর্তীতে কতটা এগোয় এই কেসের তদন্ত।


