Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শিক্ষকের অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল শিশু শিক্ষা কেন্দ্র, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে সেই কেন্দ্রই ফের চালু করলেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব, স্কুল পড়ুয়াদের মিষ্টিমুখ করানো হলো , খুশি স্থানীয়রা (Village School)।

স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে পুনরায় চালু (Village School)
স্কুলের একমাত্র শিক্ষক বছর খানেক আগে অবসর নেন। আর তার পর থেকেই কার্যত তালা পড়ে গিয়েছিল বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের ব্লকের পড়াশিয়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়েছিল গ্রামের প্রায় ৩৫ টি শিশুর। রাজ্যে পালাবদল হতেই এবার স্থানীয় বিজেপি নেতা অনুপ ঘোষের উদ্যোগে এক স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে পুনরায় চালু হল সেই শিশু শিক্ষা কেন্দ্র।
শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ (Village School)
বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের ব্লকের পড়াশিয়া গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। নিকটবর্তী ধানসিমলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দূরত্ব মেরেকেটে প্রায় ৩ কিলোমিটার। এই অবস্থায় পড়াশিয়া গ্রামের শিশুদের পঠন পাঠনের জন্য গ্রামেই চালু করা হয় একটি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র। কিন্তু তৃনমূল আমলে শিশু শিক্ষা কেন্দ্রগুলিতে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ থাকা এবং ওই কেন্দ্রে থাকা শিক্ষকদের একে একে অবসরের কারনে ধীরে ধীরে শিক্ষক শূন্য হয়ে পড়ে কেন্দ্রটি।

পঠন পাঠন চালুর দাবি
নিতান্ত বাধ্য হয়েই দূর্ঘটনার আশঙ্কা মাথায় নিয়ে দূরবর্তী ধানসিমলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে বাধ্য হয় গ্রামের ৩৫ জন পড়ুয়া। গ্রামের শিশুদের শিক্ষার স্বার্থে কেন্দ্রটিতে শিক্ষক নিয়োগ করে পঠন পাঠন চালুর দাবিতে স্থানীয় বিডিও অফিস থেকে শুরু করেছ প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘুরেছেন পড়াশিয়া গ্রামের মানুষ। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয়নি।
দরজার তালা ফের (Village School)
রাজ্যে পালাবদল হতেই এবার সেই শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের তালা খুললো। স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ না হলেও স্থানীয় বিজেপি নেতা অনুপ ঘোষের অনুরোধে ওই শিশুশিক্ষা কেন্দ্রে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে পঠন পাঠন অব্যাহত রাখতে রাজি হন এক যুবক। বর্তমান শাসক দলের স্থানীয় নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে পুনরায় শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের দরজার তালা ফের খোলায় খুশি পড়ুয়া থেকে শুরু করে অভিভাবকেরা।

আরও পড়ুন : Jennifer Winget: নতুন জীবনের পথে জেনিফার? জোর চর্চা বিনোদন মহলে
স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ
সোনামুখী চার নম্বর মণ্ডলের বিজেপির সভাপতি অনুপ ঘোষ বলেন , আগের সরকার অর্থাৎ তৃণমূল কংগ্রেস শুধুমাত্র ভোটের ফায়দা নেয় ভোট মিটে গেলেই মানুষের কথা তাদের মনে থাকে না। তবে আগামী দিনে এই শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে দ্রুত কিভাবে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ করা যায় তার সব রকম প্রচেষ্টা চালানো হবে।



