Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ঝাড়গ্রামবাসীর জন্য বড় সুখবর। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে ঝাড়গ্রাম জেলার জঙ্গলমহল চিড়িয়াখানায় একটি নতুন টাইগার সাফারি তৈরির ঘোষণা করা হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানানো হয়েছে (Jhargram Tiger Safari)।
টাইগার সাফারি চালু (Jhargram Tiger Safari)
বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী জানান, জঙ্গলমহল অঞ্চলে পর্যটনের আরও বিকাশ ঘটানো এবং রাজ্যের বনভিত্তিক পর্যটনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঝাড়গ্রামের জঙ্গলমহল চিড়িয়াখানা ইতিমধ্যেই পর্যটকদের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। নতুন টাইগার সাফারি চালু হলে পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন (Jhargram Tiger Safari)
টাইগার সাফারি সাধারণত এমন একটি বিশেষ ব্যবস্থা, যেখানে পর্যটকরা নিরাপদ পরিবেশে গাড়িতে করে বাঘকে তার প্রাকৃতিক আবাসের কাছাকাছি পরিবেশে দেখতে পারেন। এর ফলে একদিকে যেমন পর্যটকদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ হয়, অন্যদিকে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ ও সচেতনতার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ (Jhargram Tiger Safari)
জঙ্গলমহল এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বনভূমি এবং বন্যপ্রাণের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত। নতুন টাইগার সাফারি গড়ে উঠলে ঝাড়গ্রামকে কেন্দ্র করে পর্যটন শিল্পে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহণ এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষেরাও উপকৃত হতে পারেন। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগও তৈরি হতে পারে।
প্রকল্পের বিস্তারিত রূপরেখা (Jhargram Tiger Safari)
তবে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ কবে শুরু হবে, কত সময়ের মধ্যে শেষ হবে এবং সাফারিতে কতগুলি বাঘ রাখা হবে—এসব বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। আগামী দিনে বনদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রকল্পের বিস্তারিত রূপরেখা জানানো হতে পারে।

আরও পড়ুন : Kolita Maji: পরিচারিকা থেকে প্রতিমন্ত্রী, স্বপ্নের উড়ান বর্ধমানের কলিতার
২৫ কোটি টাকার এই প্রকল্পকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জঙ্গলমহল ও ঝাড়গ্রাম জেলার মানুষের মধ্যে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। অনেকেরই আশা, এই টাইগার সাফারি ভবিষ্যতে ঝাড়গ্রামকে পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে আরও প্রতিষ্ঠিত করবে।



