Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আবারো গ্রেপ্তার ইন্দাস পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি, ৪১ দিনের মাথায় দুবার গ্রেপ্তার, দুবারই তোলা আদায়ের অভিযোগ, এর আগে কুড়ি মে তোলা আদায় হুমকি ও বিজেপি নেতাকে এলাকা ছাড়ার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল পরে সে জামিন পায়, আজ আবারো অন্য আরেকটি তোলা আদায়ের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয় (Chandan Rakshit)।
দেড় লক্ষ টাকা দাবি (Chandan Rakshit)
৪১ দিনের মাথায় আবারও গ্রেফতার ইন্দাস পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চন্দন রক্ষিত। গতকাল ইন্দাস থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয় সেখানে উল্লেখ করা হয় ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ ইন্দাস পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চন্দন রক্ষিত ও বেশ কয়েকজন, ইন্দাস নিবাসী বিশ্বজিৎ লোহার কে একটি আইসক্রিম কারখানায় ডেকে এলাকায় থাকার জন্য দেড় লক্ষ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে লোহার রড সাবল দিয়ে তাকে মারধর করা হয়।
অভিযোগ পঞ্চায়েত সমিতির (Chandan Rakshit)
এমনকি অভিযোগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি একটি আগ্নেয়াস্ত্র তার মাথায় ঠেকিয়ে টাকা না দিলে প্রাণে মেরে দেওয়ার হুমকি দেয়। এরপর কোন মতে এক লক্ষ ৩০ হাজার টাকা জোগাড় করে তাদের হাতে তুলে দিয়ে প্রাণে বাঁচে ওই ব্যক্তি। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল রাতে ইন্দাস থেকে ইন্দাস পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চন্দন রক্ষিতকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আজ অভিযুক্তকে বিষ্ণুপুর মহাকুমা আদালতে তোলা হয়।
বিজেপি নেতা ঘরছাড়া (Chandan Rakshit)
চলতি বছর মে মাসের কুড়ি তারিখে তোলা আদায়ের অভিযোগে একবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কে। অভিযোগ ছিল ২০২৪ সালে থেকে ইন্দাসের দিবাকর বাটির এক বিজেপি নেতা ঘরছাড়া ছিল। কারণ বিজেপি করার অপরাধে এলাকায় তার দোকানের ব্যবসা চালাতে গেলে এবং বাড়িতে থাকতে হলে তাকে মোটা অংকের টাকা দিতে হবে তৃণমূলকে। অভিযোগ ছিল তৎকালীন সময়ে টাকা চেয়েছিল ইন্দাস পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চন্দন রক্ষিত।

কেস তোলার জন্য টাকা (Chandan Rakshit)
টাকা না দিতে পারায় দীর্ঘদিন পরিবার নিয়ে বাড়িছাড়া হয়েছিল সে । জানা যায় বিগত বিধানসভা নির্বাচনের আগে সে বাড়ি ফিরে এসেছিল। অভিযোগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চন্দন রক্ষিত ফোন করে তাকে হুমকি দিয়েছিল। এলাকায় থাকতে হলে ব্যবসা করতে হলে তাকে ৫০০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে ওই বিজেপি নেতা বহুদিন আগে আরও একটি কেস করেছিল সেই কেস তোলার জন্য তাকে ২৫ হাজার টাকা দিতে হবে।
জামিন পেয়ে যায় (Chandan Rakshit)
এই টাকা না দিলে তাকে এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না এলাকায় ঢুকলে তাকে এবং তার পরিবারকে খুন করা হবে এমনই হুমকি দিয়েছিল। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ওই বিজেপি নেতা দিবাকর বাটি গ্রামের বাসিন্দা সুখেন্দু রায় ১৯শে মে ইন্দাস থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ইন্দাস পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চন্দন রক্ষিতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল যদিও পরে সে জামিন পেয়ে যায়।
আরও পড়ুন : Taratala Compensation: মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগ
এদিন আরো একটি তোলা আদায়ের এবং আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগে ৪১ দিনের মাথায় আবারো গ্রেফতার ইন্দাস পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি চন্দন রক্ষিত। অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চন্দন রক্ষিত জানান বিজেপি এবং পুলিশের সন্ধিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে যেহেতু তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তাই চক্রান্ত করে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে।



