Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে(Afghan Pak Clash)। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে দুই দেশই একে অপরের ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান চালানোর দাবি করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
যুদ্ধের পথে আফগান-পাক সংঘাত? (Afghan Pak Clash)
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর দাবি, আফগানিস্তান থেকে বেলুচিস্তানে ঢুকে পড়া চারটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। সারণান এলাকায় একটি ড্রোন সরকারি স্কুলের কাছে পড়ে দু’জন আহত হন। অন্যদিকে আফগান তালিবান জানিয়েছে, তারা পাকিস্তানের বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ায় বিমান হামলা চালিয়ে আইএসআইএসের ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করেছে।
এর কয়েক দিন আগেই করাচিতে সিন্ধ রেঞ্জার্সের সদর দফতরে জঙ্গি হামলায় তিন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হন। পাকিস্তান এই হামলার জন্য টিটিপি-ঘনিষ্ঠ জামাত-উল-আহরারকে দায়ী করে এবং পাল্টা আফগানিস্তানের পাকতিয়া, পাকতিকা ও কুনার প্রদেশে বিমান ও স্থল অভিযান চালায়। পাকিস্তানের দাবি, এতে ২৫ জঙ্গি নিহত হয়েছে। তবে তালিবান ও রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান মিশন (UNAMA) জানিয়েছে, এসব হামলায় বহু সাধারণ নাগরিক নিহত ও আহত হয়েছেন।
এই সংঘাতের মূল কারণ টিটিপি (তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান) ইস্যু। ইসলামাবাদের অভিযোগ, আফগান তালিবান টিটিপিকে আশ্রয় দিচ্ছে। যদিও কাবুল বারবার সেই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সমস্যার জন্য তারা দায়ী নয়।
দুই দেশের মধ্যে ডুরান্ড লাইন সীমান্ত নিয়েও দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। পাকিস্তান এটিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিসেবে মানলেও আফগানিস্তান তা স্বীকৃতি দেয় না(Afghan Pak Clash)।
আরও পড়ুন: Ram Mandir Donation: রাম মন্দিরে অনুদান কেলেঙ্কারি: কীভাবে সরানো হত কোটি টাকার দান?
রাশিয়া, কাতার ও চীনসহ একাধিক দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা করলেও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, আপাতত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সম্ভাবনা কম। তবে সীমান্তে ড্রোন হামলা, বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ এবং সীমিত স্থল অভিযান আরও বাড়তে পারে(Afghan Pak Clash)। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম অস্থির এই সীমান্তে সংঘাত দ্রুত থামার কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনও দেখা যাচ্ছে না।



