Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শেষবার স্পেন চ্যাম্পিয়ন হয় ২০১০ সালে। দীর্ঘ ১৬ বছর পর ফের একবার স্পেনের (WC Spain 2026) সামনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি। সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে স্প্যানিশরা (WC Spain 2026)। আবারও তারা প্রমাণ করল বিশ্ব ফুটবলের সিংহাসনে বসার ক্ষমতা তাদের রয়েছে। তবে এই ঐতিহাসিক জয়ের উন্মাদনায় ভেসে না গিয়ে স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে প্রদর্শন করলেন এক পরিণত ও কৌশলী মানসিকতার।
দে লা ফুয়েন্তের স্বীকারোক্তি (WC Spain 2026)
সাংবাদিক সম্মেলনে দে লা ফুয়েন্তের বক্তব্য ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন, ব্যক্তিগত সম্পর্কের খাতিরে ফাইনালে তিনি আর্জেন্টিনা এবং তার দীর্ঘদিনের বন্ধু কোচ লিওনেল স্কালোনিকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখতে চান। কিন্তু এই ব্যক্তিগত ইচ্ছার কথা জানানোর পাশাপাশি তিনি পেশাদারিত্বের যে পরিচয় দিয়েছেন, তা প্রশংসনীয় (WC Spain 2026)। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, আর্জেন্টিনা হোক বা টমাস টুখেলের ইংল্যান্ড যেকোনও প্রতিপক্ষই স্পেনের জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা হতে চলেছে।
ইংল্যান্ডকে সমীহ (WC Spain 2026)
ইংল্যান্ড সম্পর্কে দে লা ফুয়েন্তের মূল্যায়ন অত্যন্ত বাস্তববাদী। তিনি টুখেলের দলকে প্রতিভাবান স্কোয়াড সমৃদ্ধ এক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছেন। দে লা ফুয়েন্তের কথায়, “এটি প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলের জন্য খুবই ভালো।” ফাইনালে যে দলই আসুক না কেন, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।
স্প্যানিশ ফুটবলের পুনর্জাগরণ (WC Spain 2026)
ফ্রান্সের মতো বড়দলকে হারানো সহজ ছিল না। কিন্তু স্পেনের বর্তমান দলটির রক্ষণ ও আক্রমণের যে ভারসাম্য, তা কেবল খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত নৈপুণ্য নয়, বরং স্পেনের সুগঠিত কোচিং কাঠামো এবং দীর্ঘদিনের ফুটবল সংস্কৃতির প্রতিফলন। দে লা ফুয়েন্তে যেভাবে স্প্যানিশ ফুটবলারদের বিশ্বের সেরা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন, তা শুধু খেলোয়াড়দের মনোবলই বাড়াবে না, বরং গোটা জাতিকে এক নতুন স্বপ্ন দেখাবে।
আরও পড়ুন: Messi WC 2026: প্রথমবার ইংল্যান্ড সাক্ষাৎ মেসির
স্কালোনির প্রশংসায় ফুয়েন্তে (WC Spain 2026)
আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে দে লা ফুয়েন্তের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও প্রশংসা বর্তমান সময়ের ফুটবলে এক বন্ধুত্বের উদাহরণ। মাঠের লড়াই যতটা না প্রতিদ্বন্দিতার, তার চেয়ে বেশি যেন একে অপরের পরিকল্পনার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের। এই ইতিবাচক সংস্কৃতিই ফুটবলকে আরও সুন্দর করে তোলে।

এখন পুরো ফুটবল বিশ্বের চোখ আগামী সেমিফাইনালের দিকে। আর্জেন্টিনা নাকি ইংল্যান্ড? স্পেনের সামনে প্রতিপক্ষ কে হবে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তবে দে লা ফুয়েন্তের নেতৃত্বে স্পেন যে ছন্দে খেলছে তা যে ফাইনাল জমিয়ে দেবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন প্রশ্ন ১৬ বছর আগের সেই সোনালী স্মৃতি কি ফিরিয়ে আনতে পারবে এই স্পেন?



