Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফিফা মহাশয় তো বিশ্বযুদ্ধ ঘটিয়ে দিলেন! এ তো আজব কাণ্ড! ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক মোট ছ’টি দেশ (FIFA)। তিন মহাদেশ মিলিয়ে এ যেন একেবারে খিচুড়ি। প্রথম ম্যাচগুলো হবে দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়েতে। আর বাকি টুর্নামেন্ট হবে ইউরোপ ও আফ্রিকার তিন দেশে। এই তিন দেশের মধ্যে রয়েছে এবারের চ্যাম্পিয়ন স্পেন। তাছাড়া পর্তুগাল আর মরক্কো। কিন্তু দড়ি টানাটানির মত অবস্থা চলছে বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে। কে করবে বিশ্বকাপ ফাইনাল আয়োজন? তা নিয়েই এখন স্পেনের পাতে লুচি আর মরক্কোর থালায় বিরিয়ানির কাড়াকাড়ি চলছে!

দর্শক পর্তুগাল (FIFA)
এই দড়ি টানাটানির খেলায় পর্তুগাল শুধুই দর্শক! ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর পর্তুগাল এই লড়াইয়ে প্রথম থেকেই ‘দূর হটো’ মোডে আছে। তাদের মাত্র ৩টে স্টেডিয়াম পাশ করেছে। পরিকাঠামো বলতে যা বোঝায়, তা নিয়ে তারা নিজেরাই লজ্জায় লাল। তাই তারা আর গোলমেলে চক্করে না গিয়ে চুপচাপ গ্যালারিতে পপকর্ন খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
স্পেন-মরোক্কোর লড়াই (FIFA)
স্পেন বলছে আরে আমরাই তো মোড়ল! স্পেন বুক ফুলিয়ে বলছে, তারা এ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন! তাছাড়া তাদের আছে বিখ্যাত সান্তিয়াগো বের্নাবিউ। ১৯ হাজার কোটি টাকা খরচ করে ওটাকে এমন চকচকে করা হল। দেখলেই চোখ ধাঁধিয়ে যাবে। ১৯৮২ সালেও ফাইনাল হয়েছিল এখানে। সুতরাং ফাইনাল তাদেরই দেরই পাওয়া উচিত!
স্পেনের ফুটবল প্রধান রাফায়েল লুজান তো জানিয়েছেন, “আমাদের ধারেকাছে কেউ আছে নাকি? ফাইনাল আমাদেরই পাওয়া উচিত!”
গত দুই মরসুম মরক্কোর পারফরম্যান্স চোখে পড়ার মত। তাই আফ্রিকাকে অবহেলা করা উচিত নয় বন্ধু। মরক্কো ছাড়ার পাত্র নয়। আশরাফ হাকিমিদের দেশ সাফ জানিয়ে দিয়েছে—”২০১০ সালের পর আফ্রিকায় বিশ্বকাপ হয়নি। ফিফার নিয়ম মানলে ফাইনাল আমাদেরই প্রাপ্য!” শুধু কি তাই? তারা বানাচ্ছে বিশাল এক স্টেডিয়াম—হাসান ২ গ্র্যান্ড স্টেডিয়াম। ১১ হাজার কোটি টাকা খরচ করে ১ লক্ষ ১৫ হাজার দর্শকাসনের এই স্টেডিয়াম নাকি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল স্টেডিয়াম হতে চলেছে!
মরক্কোর কর্তারা উপহাস করে স্পেনের বের্নাবিউকে ‘বুড়ো ভাড়ি’ বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁদের যুক্তি, “বের্নাবিউ যতই সংস্কার করো না কেন, ওটা তো পুরনো! আমাদেরটা একদম ঝাঁ চকচকে নতুন আইফোন ১৭-র মতো!”
আরও পড়ুন: Ferran Torres: ফেরান তোরেস কি সমকামী! সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্নের ঝড়
ফিফার ধীরে চলো নীতি
দুই দেশের এই চুলোচুলি দেখে ফিফা ধীরে চলো নীতি নিয়েছে। তারা এখনই ফাইনালের ভেন্যু ঘোষণা করে ঝামেলা বাড়াতে চাইছে না।



