Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ শেষ হল ২-২ গোলে। বিশ্বকাপের আরও একটি ম্যাচ থেকে গেল অমীমাংসিত (Netherlands vs Japan)
সমাধানহীন আরেকটি ম্যাচ (Netherlands vs Japan)
গ্রুপ ‘F’ -এর বহুল প্রতিক্ষিত ম্যাচের মধ্যে এই ম্যাচটি। বিশ্বকাপের মহারণে মুখোমুখি হয় দুই শক্তিশালী দেশ জাপান ও নেদারল্যান্ডস। তবে এই ম্যাচে নামার আগে চোটের কারণে জর্জরিত ডাচ শিবির। আর সেটা দলের জন্য কিছুটা হলেও চিন্তার (Netherlands vs Japan)।
একদিকে জাপান, যাঁরা টানা ছয় ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামছে। সামুরাই’রা যে এই ম্যাচে আত্মবিশ্বাসের দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর অন্যদিকে নেদারল্যান্ডস, তাঁরা মাঠে নেমেছিল চোট সঙ্গীর সঙ্গে এবং প্রত্যাশার চাপ নিয়ে। এশিয়া এবং ইউরোপের দুই শক্তিশালী দল যখন একে অপরের বিরুদ্ধে নামে তখন ফুটবল শুধু একটা খেলা থাকে না, পরিণত হয় এক মহারণে (Netherlands vs Japan)।
আরও পড়ুন: Jaishankar Mao: ‘মাও সিনড্রোম’: কেন পশ্চিমী বিশ্ব বারবার একই ভুল করে? প্রশ্ন জয়শঙ্করের
প্রথম হাফে খেলার গতি কমবেশি দুই দলের সমান সমান থাকে। প্রথম হাফের খেলা ছিল কার্যত ফিকে। মনে হতেই পারে দুই দলের কারোর তেমন কোনও তাগিদ নেই। এটা যে বিশ্বকাপ চলছে সেই কথাও বেরিয়ে যেতে পারে দর্শকদের মাথা থেকে। সুযোগ থাকলেও সেই সুযোগ মিস, নিজেদের মধ্যে পাস কিন্তু সেটা দিয়ে খেলা তৈরি হচ্ছে না বা সেট পিস থেকে উঠে আক্রমণ, কোনোটাই যেন নেই।
তিন মিনিটের মধ্যেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল নেদারল্যান্ডস। কিন্তু ডনিয়েল মালেনের শট বারের উপর দিয়ে উড়ে যায় আর এরপরের খেলায় যেন ঝিম ধরে যায়। শীতের কোনও এক অলস দুপুরে রোদ পোওয়ানোর কথা মনে পড়ে যেতে পারে এই খেলা দেখে।
তবে বিরতির পর খেলা শুরু হলে হঠাৎ করেই খেলার গতির পরিবর্তন ছিল লক্ষ্যণীয়। দুই দলই সমান তালে আক্রমণের গতি বাড়াতে থাকে। ম্যাচে প্রথম গোল আসে ভি. ভ্যান ডিক-এর বুট থেকে। এই গোলেই ডাচ শিবির এক গোলে এগিয়ে যায়। কিন্তু সামুরাইরা যে লড়াই করার মানসিকতা রাখে সেটাই দেখা গেল জাপানের খেলায়। বেশিক্ষণ ধার না রেখে গোল শোধ করে দেয় ৫৭ মিনিটে। কে. নাকামুরা-র গোলে সমতা ফেরায় জাপান। এই ম্যাচে জাপান পিছিয়ে থেকে যেভাবে ফিরেছে তাতে তাঁদের লড়াকু মানসিকতা সত্যিই প্রশংসা যোগ্য।
এরপর দুই দলই সমান ভাবে আক্রমণ করতে থাকেন কিন্তু বেশ কয়েকটি নিশ্চিত শট সেভ করেন দুই দলের রক্ষণ বিভাগ এবং গোলকিপার আবার বেশ কয়েকটি সুযোগও নষ্ট হয়। ক্রিসেনসিও সামারভিল বক্সের ডান দিক থেকে বাঁ পায়ের শটে বল জালে জড়িয়ে দেন এবং ব্যবধান বাড়িয়ে নেন যদিও সেটাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। জাপানের ডি. কামাদা সেই গোল শোধ করে দেন (Netherlands vs Japan)। এই ম্যাচও শেষ পর্যন্ত অমীমাংসিত থেকে গেল।


