Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মরসুমের শুরুতেই জয় (Mohun Bagan vs East Bengal)। তাও আবার ডার্বি। প্রথম রাতেই বেড়াল মারলেন বলা যায়। প্রথম ম্যাচেই চমক দিলেন কোচ প্যানাজিওটিস ডিলমপেরিস। মন জয় করলেন মোহনবাগান সমর্থকদের। ম্যাচের আগের সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন ভালো ফুটবল উপহার দেবেন। সেই কথা এই ম্যাচে তিনি সেভাবে রাখতে পারেননি।তাই ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েও দলের পারফরম্যান্সে একেবারেই সন্তুষ্ট নন মোহনবাগান কোচ।
মোহনবাগান কোচের বক্তব্য (Mohun Bagan vs East Bengal)
গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের কাছে অল্পের জন্য (Mohun Bagan vs East Bengal) আইএসএল ট্রফি হারিয়েছে মোহনবাগান। তাই এই মরসুমের শুরুটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল মোহনবাগানের কাছে। কলকাতার ফুটবলে প্রথমবার পা রেখেই ডার্বি জয়ের স্বাদ পেলেও ম্যাচ শেষে সাংবাদিক বৈঠকে কড়া বার্তা দিয়েছেন প্যানোস।
তিনি স্পষ্ট জানান, “আমাদের হাতে প্রস্তুতির সময় খুব বেশি ছিল না। তাই ভাল ফুটবল খেলতেও পারিনি। অবশ্য ৬০ মিনিট পর্যন্ত আমরা দাপট দেখিয়েছি। তার পরে হঠাৎ হারিয়ে গিয়েছি। তবে শেষ পর্যন্ত একটা কঠিন ম্যাচ জিতেছি।”

রক্ষণাত্মক কেন খেলল? (Mohun Bagan vs East Bengal)
ম্যাচের শেষ দিকে দলের পারফরম্যান্স কেন (Mohun Bagan vs East Bengal) পেছনের দিকে চলে গেল, তার উত্তরে কোচ জানান যে, ফুটবলারেরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। ইচ্ছাকৃতভাবে দল রক্ষণাত্মক খেলেনি বলেই দাবি তাঁর। কোচের কথায়, “এমন নয় যে ইচ্ছা করে রক্ষণাত্মক খেলিয়েছি। তখন ফুটবলারেরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। তাই এ রকম খেলাতে হয়েছে। তবে এখনও অনেক সময় আছে। পরের ম্যাচ থেকে এই দলটাকেই অনেক শক্তিশালী দেখাবে।”
কোথায় উন্নতির প্রয়োজন? (Mohun Bagan vs East Bengal)
দলের উন্নতির কথা নিয়ে বাগান কোচ আরও যোগ (Mohun Bagan vs East Bengal) করেন, “সব বিভাগেই উন্নতি করতে হবে। আমি তো এখানে রাজনীতি করতে আসিনি। আমার কাছে ফুটবল একটা ধর্ম। এই দলের সমর্থক প্রচুর। তাঁদের অনেক আশা রয়েছে। সেই আশা পূরণের জন্য আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে।”
ম্যাচের সেরা সাহাল (Mohun Bagan vs East Bengal)
ম্যাচের নায়ক সাহাল আবদুল সামাদ তাঁর গোলটি উৎসর্গ (Mohun Bagan vs East Bengal) করেছেন স্ত্রীকে। মোহনবাগানের মিডফিল্ডারও মনে করেন দলের মধ্যে বোঝাপড়ার জন্য আরও সময়ের প্রয়োজন। সাহাল বলেন, “দলে অনেক নতুন ফুটবলার এসেছে। কোচও নতুন। তাই বোঝাপড়া হতে একটু সময় লাগবে। আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে।”

কোচের মানসিকতা
নতুন কোচের মানসিকতার কেমন? এই বিষয়ে সাহাল বলেন, “কোচ প্রথম দিনই বলেছেন, সব ম্যাচই ডার্বি। তাই সে ভাবেই প্রস্তুতি নিতে হবে। একসঙ্গে খেলব। একটা দল হয়ে একের পর এক ম্যাচ জিতব। এটাই আমাদের স্বপ্ন।”
হাবাসের খুশি
অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস পুরনো দলের বিরুদ্ধে হার দিয়ে অভিযান শুরু করলেও দলের লড়াকু মানসিকতায় খুশি। ভারতীয় ফুটবলে পরিচিত মুখ হাবাস এ বার লাল-হলুদ শিবিরের দায়িত্ব নিয়েছেন।
ম্যাচ শেষে হাবাস বলেন, “আমি তো এখনও কাউকে তেমন ভাবে চিনিই না। বিদেশিরা একটা সেশন অনুশীলন করেছে। খেলার ফলাফলে আমি সন্তুষ্ট না হলেও যে ভাবে সকলে লড়াই করেছে তাতে খুশি। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে আমরা সাত থেকে আটটা সুযোগ তৈরি করেছি। গোল করতে পারিনি। ওরা সেটা করেছে বলে জিতেছে।”
বিশালের প্রশংসা হাবাসের
মোহনবাগান শিবিরের গোলকিপার তাঁর পুরনো ছাত্র বিশাল কাইত। তার পারফরম্যান্সের প্রশংসাও শোনা যায় হাবাসের গলায়। বিশাল দুর্দান্ত সেভ না করলে ম্যাচের ফল অন্যরকমও হতে পারত বলে মনে করেন তিনি।
আরও পড়ুন: Kanchan Mullick: তৃতীয়বার বাবা কাঞ্চন মল্লিক! সুখবর ভাগ করে নিলেন অনুরাগীদের সঙ্গে
তবে ম্যাচের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে হাবাস জানান, অন্য এক পুরনো ছাত্র ও মোহনবাগান ডিফেন্ডার শুভাশিস বসুকে কেবল হলুদ কার্ড নয়, লাল কার্ড দেখানো উচিত ছিল। পরবর্তী কালে দলের শক্তি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়ে ইস্টবেঙ্গল কোচ জানান, সোমবার দলের আরও এক বিদেশি ফুটবলার যোগ দেবেন। এর ফলে তাঁর দল আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলেই আশাবাদী তিনি।


