Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সরকার ও বিরোধীদের তীব্র বাকযুদ্ধের মধ্যে লোকসভায় ধ্বনিভোটে পাস হয়েছে পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিন্স) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬(Question Leak Bill)। এই সংশোধনী বিলের লক্ষ্য হলো প্রশ্নপত্র ফাঁস বিরোধী আইনকে আরও কঠোর করা।
নতুন বিলে কী শাস্তির বিধান রয়েছে? (Question Leak Bill)
সাধারণ অপরাধ: প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সর্বনিম্ন জেলের মেয়াদ তিন বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হয়েছে। সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছরের জেল এবং ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।
সংগঠিত অপরাধ: সংগঠিত অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন জেল পাঁচ বছর এবং সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
আন্দোলনের পর গৃহীত পদক্ষেপ
কাকরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন আন্দোলনকারীদের তিনটি দাবিই কেন্দ্রীয় সরকার মেনে নেওয়ার কয়েকদিন পরেই এই বিল পাস হলো। দাবিগুলো ছিল—
১. পরীক্ষায় অনিয়মের কারণে আত্মহত্যা করা নিট (NEET) পরীক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
২. আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহার করা।
৩. শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।
পরবর্তী পদক্ষেপে বিলটি আইনে পরিণত হতে রাজ্যসভার অনুমোদন এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সম্মতি প্রয়োজন।
লোকসভায় কেন্দ্র-বিরোধীদের তীব্র বাকযুদ্ধ
বিলটিকে সমর্থন করলেও লোকসভায় শাসক ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর আচরণকে “অসংসদীয়” বলে তোপ দাগেন।
রাহুলের মন্তব্য ও রিজিজুর পাল্টা তোপ (Question Leak Bill)
‘ইডিয়ট’ শব্দ ব্যবহার: রাহুল গান্ধী তাঁর বক্তব্যে তথাকথিত ‘সর্বজ্ঞাত’ ব্যক্তিদের “ইডিয়ট” (বোকা) বলে অভিহিত করেন। তিনি জানান, এক ছাত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের ভিত্তিতে তিনি এই শব্দ ব্যবহার করেছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ: রাহুল দাবি করেন, দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee: বেপাত্তা অভিষেকের আপ্ত সহায়ক, সুমিতের মায়ের হাতে পুলিশের নোটিস
রিজিজু এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ “ভিত্তিহীন” দাবি করে বলেন, রাহুলকে এই অভিযোগের তথ্যপ্রমাণ দিতে হবে অথবা ক্ষমা চাইতে হবে(Question Leak Bill)। পাশাপাশি অসংসদীয় শব্দ ব্যবহারের জন্য রাহুল গান্ধীর বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার (expunge) দাবি জানান রিজিজু।



