Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শিলিগুড়ি সফরে এসে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন (Agnimitra Paul)। রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যজুড়ে নাগরিক শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। একইসঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থানও তিনি স্পষ্ট করে দেন।

রাস্তায় নির্মাণসামগ্রী রাখলেই জরিমানা (Agnimitra Paul)
মন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেখা যাচ্ছে বহু মানুষ বাড়ি তৈরির জন্য বালি, ইট, পাথর, সিমেন্টসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী সরকারি রাস্তার উপর ফেলে রাখছেন। এর ফলে সাধারণ মানুষের চলাচলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে। এই প্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “বাড়ি করছেন, কিন্তু রাস্তার উপর বালি, পাথর, ইট ফেলে রাখছেন এটা আর চলবে না। নিজের বাড়ির ভিতরে নির্মাণসামগ্রী রাখতে হবে। রাস্তা কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই নিয়ম ভাঙলেই জরিমানা করা হবে।”
ফাঁকা জমি পরিষ্কার না রাখলেও ব্যবস্থা (Agnimitra Paul)
শুধু নির্মাণসামগ্রী নয়, দীর্ঘদিন ফাঁকা জমি অযত্নে ফেলে রাখার বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনও জমির মালিক যদি জমি পরিষ্কার না রাখেন এবং সেই কারণে ডেঙ্গি বা অন্য রোগের সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হয়, তবে তার দায়ও জমির মালিককেই নিতে হবে। মন্ত্রী বলেন, “আপনার ফাঁকা জমির জন্য আশপাশের মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হবে, সেটা মেনে নেওয়া হবে না। জমি পরিষ্কার রাখা মালিকের দায়িত্ব।”

প্রকাশ্যে শৌচের বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা (Agnimitra Paul)
মন্ত্রী জানান, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকেই গোটা রাজ্যে আরও কিছু নতুন নাগরিক বিধি কার্যকর হবে। এর মধ্যে রয়েছে, প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ ব্যবহার করলে জরিমানা। প্রকাশ্যে থুতু ফেললে জরিমানা। রাস্তায় শৌচকর্ম করলে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। সরকারের লক্ষ্য রাজ্যকে আরও পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত করে তোলা।
আরও পড়ুন: Kolkata Metro: CMS পরীক্ষার্থীদের জন্য রবিবার ভোর থেকেই বিশেষ মেট্রো পরিষেবা

উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে একাধিক প্রকল্প
উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়েও একাধিক পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, দার্জিলিংয়ের সিঞ্চল লেক প্রকল্প শেষের পথে। প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে পাহাড়ে দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সমস্যা অনেকটাই কমবে। মিরিক লেকের সৌন্দর্যায়ন করা হবে। লেক সংলগ্ন এলাকাও আধুনিকভাবে সাজানো হবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়ং, মিরিক ও শিলিগুড়িতে ট্র্যাফিক ব্যবস্থা, পানীয় জল এবং নিকাশি ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।



