Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভোররাতে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন (Train Fire)। পুড়ে ছাই ট্রেনের ইঞ্জিনসহ অন্তত ৩টি বগি। দুর্ঘটনার হাত থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পেলেন বহু যাত্রী। সোমবার ভোর ৩টে ২৫ মিনিট নাগাদ সিমরি বখতিয়ারপুর স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা সমস্তিপুর-সহর্সা প্যাসেঞ্জার ট্রেনের ইঞ্জিনে আচমকাই দাউ দাউ করে আগুন ধরে যায়। নিমেষের মধ্যে সেই ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে ট্রেনের পেছনের বগিগুলিতে।
ট্রেন চলাচলে প্রভাব ও ক্ষয়ক্ষতি (Train Fire)
ঘটনার সময়ে ট্রেনের ভেতরে থাকা অধিকাংশ যাত্রীই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন। তবে ট্রেনের ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেই চরম তৎপরতা দেখান রেলকর্মীরা। তাঁরা দ্রুত চিৎকার করে ঘুমন্ত যাত্রীদের ডেকে তোলেন এবং নিরাপদ দূরত্বে বের করে নিয়ে আসেন। রেলকর্মীদের এই সময়ের মধ্যে সঠিক পদক্ষেপের ফলে এক বড়সড় প্রাণহানি ও বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রেল পুলিশ এবং দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন। প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ আগুন (Train Fire) নিয়ন্ত্রণে আসে।
আরও পড়ুন: Agnimitra Paul: ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাস্তায় ইট-বালি রাখলেই জরিমানা! কড়া বার্তা অগ্নিমিত্রার
অগ্নিকাণ্ডের (Train Fire) জেরে সকালের দিকে একাধিক ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। সহর্সা-পাটনা কোশী এক্সপ্রেস, মণিহারি-জয়নগর জানকী এক্সপ্রেস, সহর্সা-সমস্তিপুর প্যাসেঞ্জার এবং শ্রাবণী স্পেশাল ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশ কিছুটা দেরিতে চলাচল করে। কিছু ট্রেন সাময়িকভাবে বাতিলও করা হয়েছিল। তবে সকাল ৬টার পর থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ (Train Fire)
কীভাবে এই আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। তবে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট বা ট্রেনের ইঞ্জিনে কোনো মারাত্মক যান্ত্রিক ত্রুটির (Train Fire) কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। রেল প্রশাসন এবং স্থানীয় পুলিশ যৌথভাবে ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে।



