Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
তানিয়া রক্ষিত: মহামেডানে (Mohammedan Sporting) ধুন্ধুমার! ফের অশান্তি। ট্রান্সফার ব্যান থেকে মুক্তি এল। কিন্তু শান্তি এল কই? শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে ক্লাবের বর্তমান পরিচালন কমিটির হয়ে সচিব ওয়াসিম আক্রম জানিয়েছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদ থেকে কাজী মাসুম আখতারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই চিঠিও পেয়ে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু তা নিয়ে কেটিভি বাংলার প্রতিনিধির কাছে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, ক্লাবের সচিব এবং ফুটবল সচিবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন।
হতাশ মাসুম আখতার (Mohammedan Sporting)
১২ জুলাই সহ-সভাপতি পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন কাজী মাসুম আখতার। ২১ দিনের মাথায় তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। যা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “আমি মহামেডান স্পোর্টিংয়ের জন্য ভালো কিছু করতে চেয়েছিলাম। আমি ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিলাম। আমাকে নিয়ে কোনও সমস্যা থাকলে ম্যানেজিং কমিটির মিটিং ডেকে তা বলা হল না কেন? আমি খুব হতাশ কমিটির সিদ্ধান্তে। এখনও পর্যন্ত আমার সঙ্গে কোনও কথা বলেননি কেন? এখনও ম্যানেজিং কমিটির কোনও মিটিং হয়নি কেন?”
কালো টাকা বিতর্ক (Mohammedan Sporting)
আর্থিক সমস্যায় জরজরিত মহামেডান স্পোর্টিং। এই অবস্থায় যে নতুন পরিচালন কমিটি এসেছে তার মধ্যে অনেকেই আর্থিক ভাবে ক্লাবকে সাহায্য করছেন। বর্তমান সচিব ওয়াসিম আক্রমও আর্থিক ভাবে ক্লাবকে সাহায্য করেছেন। তাঁর সেই অর্থের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কাজী মাসুম আখতার। তিনি বলেন, “অর্থ তো কালোও হয়। আমার সন্দেহ আছে এই অর্থের স্বচ্ছতা নিয়ে। বিদেশ থেকে কত অর্থ আসছে আমিও দেখতে চাই। আর আদৌ তিনি কি অর্থ দিয়েছেন? তাও তো প্রমাণিত নয়”।
সাদা কালো ক্লাবে দুর্নীতি (Mohammedan Sporting)
দীর্ঘদিন ধরে মহামেডান স্পোর্টিং (Mohammedan Sporting) ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বেলাল আহমেদ খান। বর্তমান কমিটিতে ফুটবল সচিবের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মাসুম আখতার জানিয়েছেন, “কমিটিতে তো বেলাল রয়েছেন। ওর বিরুদ্ধে তো কত দুর্নীতির অভিযোগ। ও তো কাটমানি খায়। শুনেছি ও জলেও কাটমানি খায়। ওই তো মিডিয়ার সামনে বাইট দেয়। আমার মত সম্মানিয় ব্যক্তিকে এভাবে অপমান করতে ওরা পারে না। আমি অপমানিত বোধ করছি”।
আরও পড়ুন: MD President: সভাপতি হুমায়ুনকে ১০ দিনের ডেডলাইন মহমেডানের! কে হলেন নতুন সভাপতি?
প্রসঙ্গত, কাজী মাসুম আখতারকে সহ সভাপতি করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। এখন ১০ আগস্ট পর্যন্ত ডেডলাইন দেওয়া হয়েছে তাঁকে। তার মধ্যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া অর্থ তিনি যদি না দিতে পারেন তাঁকেও সরিয়ে দেওয়া হবে।



