Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সঞ্জীব মল্লিক, ইন্দাস: আমন ধান রোপণের (Fertilizer Black Marketing) মরসুমে রাসায়নিক সারের কালোবাজারি ঠেকাতে কৃষি দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে দোকানে দোকানে ঘুরলেন বিধায়ক, কালোবাজারি হলে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ।
কালোবাজারি রোধে বিধায়ক (Fertilizer Black Marketing)
আমন ধান রোপণের মরসুমে রাসায়নিক সারের কালোবাজারি (Fertilizer Black Marketing) এলাকায় কার্যত নিয়মে পরিণত হয়েছে। রাজ্যে পালাবদলের পর এবার সেই কালোবাজারি রুখতে কোমর বেঁধে ময়দানে নামলেন বাঁকুড়ার ইন্দাসের বিধায়ক। কৃষি দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে একের পর এক দোকানে ঘুরে রাসায়নিক সারের কালোবাজারি নিয়্র কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন বিধায়ক।
চাষিদের লোকসান! (Fertilizer Black Marketing)
বাঁকুড়া জেলার অন্যতম কৃষি প্রধান অঞ্চল হিসাবে পরিচিত ইন্দাস বিধানসভা এলাকা। বর্ষায় আমন ধানের মরসুমে ফি বছর রাসায়নিক সারের চাহিদা থাকে তুঙ্গে। চাহিদামতো রাসায়নিক সারের যোগান না থাকার সুযোগ নিয়ে রাসায়নিক সারের কালোবাজারি করেন একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী। এই সময় ইউরিয়া, ডিএপি বা ১০:২৬ সারের দাম ইচ্ছেমতো হাঁকতে শুরু করেন স্থানীয় একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী। এতে ব্যবসায়ীদের লাভের অঙ্ক লাফিয়ে বাড়লেও কৃষকেরা চড়াদরে রাসায়নিক সার কেনায় তাঁদের লোকসানের বহর বাড়তে থাকে।
আরও পড়ুন: Biogas Production: গোবর থেকে মিথেন গ্যাস, বিনা খরচে রান্না করে চমকে দিলেন কৃপা হাসদা
প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ
রাজ্যে পালাবদলের পর এবার রাসায়নিক সারের সেই কালোবাজারি রুখতে মাঠে নামলেন বাঁকুড়ার ইন্দাসের বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া। কৃষি দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে দিঘলগ্রাম বাজারে একের পর এক রাসায়নিক সারের দোকানে হানা দেন তিনি। দোকানে মজুত থাকা সারের পরিমাণ থেকে শুরু করে সারের ক্রয় ও বিক্রয়মূল্য খতিয়ে দেখেন কৃষি দফতরের আধিকারিকেরা। কথা বলেন এলাকার কৃষকদের সঙ্গেও। দিঘলগ্রাম বাজারে রাসায়নিক সারের একটি দোকানে সারের দাম ক্রয়মূল্যের তুলনায় অনেক বেশি নেওয়ায় সেই দোকানদারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। বিধায়কের হুঁশিয়ারি সারের কালোবাজারি কোনোভাবেই রেয়াত করা হবে না। প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।


