Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নাবালক ছাত্রদের আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে রক্তদান করানোর অভিযোগ (Durgapur)। এই ঘটনায় পুলিশের হাতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) এক সদস্য-সহ মোট তিনজন। অভিযোগ, দুর্গাপুরের বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ইস্পাত নগরীর একটি বেসরকারি স্কুলের কয়েকজন নাবালক ছাত্রের কাছ থেকে রক্তদান করানো হয়। বিনিময়ে তাদের টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল বলে অভিযোগ।

আর্থিক প্রলোভন (Durgapur)
ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্ত যত এগোয়, ততই সামনে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।তদন্তে প্রথমে উঠে আসে ওই স্কুলেরই প্রাক্তন ছাত্র দেবপ্রিয় চক্রবর্তীর নাম। অভিযোগ, সে-ই নাবালক ছাত্রদের বিভিন্ন আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেত।
এই গোটা চক্রের মূল (Durgapur)
পরে জিজ্ঞাসাবাদে দেবপ্রিয় দাবি করে, তাকে এই কাজে নামিয়েছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য অমিত প্রসাদ যাদব। এই ঘটনার সাথে যুক্ত ছিল আরো এক যুবক মালদহের বাসিন্দা মহম্মদ হাবিবুল্লাহ। বর্তমানে হাবিবুল্লাহ দুর্গাপুরের বিধাননগরের একটি বেসরকারি হোটেলে কাজ করে। পুলিশের তদন্তে আরও অভিযোগ ওঠে যে, এই গোটা চক্রের মূল পরিচালনাকারী ছিল দুর্গাপুরের মুচিপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য অমিত প্রসাদ যাদব।

দেবপ্রিয়র দাবি (Durgapur)
অমিত প্রসাদ যাদব তার মায়ের এবং তার সোনার গয়না বন্ধক রেখে তাকে টাকার লোভ দেখিয়েছিল। বলা হয়েছিল, যত বেশি রক্তদাতা জোগাড় করতে পারবে, তত বেশি টাকা পাবে। সেই প্রলোভনেই সে নাবালক ছাত্রদের এই চক্রে জড়িয়ে ফেলে বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন: Bikash Ranjan Bhattacharya: আইন নয়, নির্দেশেই চলছে পুলিশ! সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন বিকাশের
বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে দেবপ্রিয় চক্রবর্তী, মহম্মদ হাবিবুল্লাহ এবং অমিত প্রসাদ যাদবকে গ্রেফতার করে দুর্গাপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, কিংবা এর পেছনে বড় কোনও র্যাকেট রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।



