Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আক্রান্ত তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। পুলিশি লকআপে তৃণমূল কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে হালিশহরে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেখানেই তাঁর গাড়িতে হামলা। ছোড়া হয় ইট-পাথর, জল ও কাদা। অভিযোগ, পুলিশের চোখের সামনেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় লক্ষ্য করে মুড়ি-মুড়কির মতো ইট-পাথর ও কাদা ছোড়া হলেও, ঠুঁটো জগন্নাথের মতো নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে স্থানীয় পুলিশ বাহিনী।
‘গাড়ির কাচ বন্ধ না থাকলে মাথা ফেটে প্রাণহানি হত’ (Mamata Banerjee)
আক্রান্ত হওয়ার পর ক্ষোভ উগড়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি বলেন, ‘আমার গাড়ি লক্ষ্য করে যে ভাবে ইট-পাটকেল ছোড়া হয়েছে, তাতে জানলা বন্ধ না থাকলে মাথা ফেটে মারাত্মক অঘটন ঘটতে পারত। নিজের জীবনে এই ধরনের বর্বর আক্রমণ আমি আগে দেখিনি। সিকিউরিটি না থাকলে সেদিন আমাদের কারোরই প্রাণ বাঁচত না। অথচ নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করে পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পুরো নাটক দেখল।’
তিনি আরও অভিযোগ তোলেন, এটি কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং তাঁকে আক্রমণ করার জন্য তৈরি করা এক পরিকল্পিত চক্রান্ত।
দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর?
হালিশহর থানায় বিরজু কেওট (ওরফে বিরজু কুমার দেওয়ান)-এর মৃত্যুর ঘটনাকে সরাসরি ‘কাস্টোডিয়াল ডেথ’ বা হেফাজতে হত্যা বলে তোপ দাগেন মমতা (Mamata Banerjee)। ঘটনার ভয়াবহতার দায় চাপিয়ে তিনি সরাসরি নিশানা করেন রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্ব ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে।
আরও পড়ুন: Dilip Ghosh: পঞ্চায়েত দপ্তরে দুর্নীতি হাজার কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে! কী বললেন দিলীপ ঘোষ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সাফ কথা, ‘পুলিশ আজ সাধারণ মানুষের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ, তারা স্রেফ ক্যাডারের মতো আচরণ করছে। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার উপর আমার আর বিন্দুমাত্র আস্থা নেই। পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা এই ব্যর্থতার দায় এড়াতে পারেন না।’
আক্রান্ত বিরজুর পরিবারকে শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পূর্ণ আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি, এই প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বহুদূর পর্যন্ত আইনি আন্দোলন টেনে নিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।


