Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল : ত্রয়ণ চক্রবর্তী: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে বিজেপির এক সাংসদের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে সরব হলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী (Naushad Siddiqui)। তাঁর অভিযোগ, স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব এবং দেশের গর্ব নেতাজিকে নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নানা ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য করা হচ্ছে। এমনকি তাঁকে ‘দেশদ্রোহী’ বলা থেকে শুরু করে তাঁর চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে বলে দাবি নওশাদের।
‘গুণ্ডা পুষতেন’ মন্তব্য নিয়েও ক্ষোভ (Naushad Siddiqui)
নওশাদ সিদ্দিকীর বক্তব্য, নেতাজিকে নিয়ে এমন মন্তব্যও করা হয়েছে যে তিনি নাকি ‘গুণ্ডা পুষতেন’। তাঁর মতে, এই ধরনের মন্তব্য শুধু একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকে অপমান করে না, বরং দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসকেও অসম্মান করে।
AI-এ নেতাজির ছবি বিকৃতির অভিযোগ (Naushad Siddiqui)
শুধু বক্তব্যেই নয়, সোশ্যাল মিডিয়াতেও নেতাজির ছবি বিকৃত করে প্রচারের অভিযোগ তুলেছেন নওশাদ। তাঁর দাবি, AI এবং বিভিন্ন ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে নেতাজির ছবি এডিট বা বিকৃত করে নানা ধরনের কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন তিনি।
‘সরকার কেন নীরব?’ (Naushad Siddiqui)
এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আইএসএফ বিধায়ক। তাঁর বক্তব্য, নেতাজিকে নিয়ে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য সামনে এলেও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনও প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না। এই নীরবতা কবে ভাঙবে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
বিধানসভায় নিন্দা প্রস্তাব (Naushad Siddiqui)
নওশাদ জানিয়েছেন, ভারতীয় সংবিধানের বিধানসভা-সংক্রান্ত নিয়ম ১৮৫ অনুসারে তিনি বিধানসভায় একটি নিন্দা প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিধানসভা এমন বিষয় তুলে ধরার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জায়গা বলেই মনে করেন তিনি। নেতাজিকে নিয়ে করা মন্তব্যের বিরুদ্ধে বিধানসভায় আনুষ্ঠানিক নিন্দা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন : Naan Puri: বাড়িতেই বানান নরম গরম তুলতুলে নানপুরী, রইল সহজ সিম্পল রেসিপি
‘চুপ থাকতে পারি না’
নওশাদের কথায়, তিনি নিজেকে একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে মনে করেন এবং তাঁর পূর্বপুরুষরাও স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নিয়েছিলেন। তাই নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় তিনি নীরব থাকতে পারেন না। তাঁর এই উদ্যোগ ঘিরে এবার বিধানসভায় রাজনৈতিক বিতর্ক কতটা জোরালো হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।



