Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: একটি বড় আইনি জয়ে মার্কিন বিচার বিভাগ (DoJ) আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি, তাঁর ভাইপো সাগর আদানি এবং আদানি গ্রিনের প্রাক্তন সিইও বিনীত জৈনের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত ফৌজদারি অভিযোগ স্থায়ীভাবে খারিজ করেছে(US Adani)। নিউ ইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক নিকোলাস গারাউফিস ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিসের ‘রুল ৪৮(এ)’ মোশন মঞ্জুর করে এই নির্দেশ দেন।
‘উইথ প্রেজুডিস’ (with prejudice) বা স্থায়ীভাবে মামলা খারিজ হওয়ার ফলে এই অভিযোগগুলি ভবিষ্যতে আর নতুন করে আনা যাবে না। এর মাধ্যমে প্রায় দুই বছর ধরে চলা আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটল। তবে আদালত স্পষ্ট করেছে যে, এই সিদ্ধান্তের অর্থ অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কিত কোনো বিচার বিভাগীয় রায় নয়।
মামলার প্রেক্ষাপট ও ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকা (US Adani)
২০২৪ সালের নভেম্বরে বাইডেন প্রশাসনের শেষ সময়ে এই মামলাটি প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগে বলা হয়েছিল, ভারতে সৌর বিদ্যুতের চুক্তি পেতে আদানি গ্রুপ ২৫০ মিলিয়ন ডলার ঘুষের ষড়যন্ত্র করেছিল এবং মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি তহবিল সংগ্রহ করেছিল।
তবে ট্রাম্প প্রশাসন আদালতে জানায়, এই মামলা চালিয়ে যাওয়া আর জনস্বার্থের অনুকূল নয়। প্রসিকিউটরদের যুক্তি ছিল, অভিযুক্ত বক্তব্যগুলি স্রেফ “ইনঅ্যাকশনেবল পফারি” (inactionable puffery) বা সাধারণ করপোরেট দাবি ছিল, যা আইনি বিচারে ধোপে টিকে না। আদানি গ্রুপের পক্ষ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার মার্কিন বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির সাথে এই মামলা খারিজের কোনো সম্পর্ক বা ‘কুইড প্রো কো’ (quid pro quo) নেই বলে গৌতম আদানি হলফনামা জমা দেন।
অন্যদিকে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (SEC) সিভিল অ্যাকশনটিও নিষ্পত্তি হয়েছে(US Adani)। গৌতম আদানি কোনো অপরাধ স্বীকার না করেই ৬ মিলিয়ন ডলারের জরিমানা দিতে সম্মতি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: Pan Masala: পান মশলার প্যাকেজিংয়ে বড় বদল: প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়াম নিষিদ্ধ করল FSSAI
সত্যের জয় বললেন গৌতম আদানি (US Adani)
এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে গৌতম আদানি সোশ্যাল মিডিয়া ‘এক্স’-এ লিখেছেন, “সত্য, ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের প্রতি আমাদের বিশ্বাস অবিচল ছিল। যারা আমাদের ওপর আস্থা রেখেছেন তাদের ধন্যবাদ।” ২০২৩ সালের ‘হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ’-এর রিপোর্টের পর থেকে সৃষ্টি হওয়া বিশ্বব্যাপী আইনি ও অর্থনৈতিক চাপ কাটিয়ে এই রায় আদানি গ্রুপের জন্য এক বিশাল স্বস্তি এনে দিল।



