Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: একটি সামান্য ওভারটেক, আর সেই তুচ্ছ (Accident News) ঘটনাই মুহূর্তে বদলে দিল সবকিছু। তর্ক, উত্তেজনা, তারপর ছুরির আঘাত আর শেষে, নিথর দেহ! ৩০ বছরের ধর্মেশ গামারার মৃত্যু ঘিরে কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল আহমেদাবাদের ধানধুকা এলাকা।
দুই যুবকের মধ্যে বচসা (Accident News)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার মোটরসাইকেল (Accident News) ওভারটেক করা নিয়ে দুই যুবকের মধ্যে বচসা শুরু হয়। প্রথমে কথার লড়াই, তারপর তা রূপ নেয় হাতাহাতিতে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই পরিস্থিতি ভয়াবহ মোড় নেয়, অভিযুক্তরা ছুরি বের করে ধর্মেশের পায়ে সজোরে আঘাত করে। গুরুতর জখম অবস্থায় রাস্তাতেই লুটিয়ে পড়েন তিনি।রক্তাক্ত অবস্থায় দ্রুত তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করলেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয় ধর্মেশের। হাসপাতালের বেডেই থেমে যায় একটি তরতাজা প্রাণ।
মৃত্যুর খবর (Accident News)
কিন্তু সেখানেই থামেনি এই ঘটনা। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ক্ষোভ বিস্ফোরিত হয়। মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজিত জনতা রাস্তায় নেমে আসে। শুরু হয় ভাঙচুর, একের পর এক দোকানে হামলা। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন জ্বলে ওঠে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। চারিদিক ঢেকে যায় কালো ধোঁয়ায়, আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, দাউ দাউ করে জ্বলছে দোকানপাট, আগুনের লেলিহান শিখা আকাশ ছুঁতে চাইছে। কোথাও মানুষ ছুটছে প্রাণ বাঁচাতে, কোথাও আবার দাঁড়িয়ে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে জনতা, পুরো এলাকা যেন যুদ্ধক্ষেত্র।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও দমকল কর্মীরা। দীর্ঘ সময়ের চেষ্টায় আগুন নেভানো সম্ভব হয়। এলাকায় জারি করা হয় কড়া নজরদারি, চলছে টহলদারি। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও উত্তেজনা এখনও পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।
এই ঘটনায় খুনের অভিযোগে সমীর ও রিজওয়ান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তত ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি অভিযান।


